ইসলামের দৃষ্টিতে ব্যাংকে চাকুরী কি হালাল না হারাম?

0
23693

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ সুদ শব্দটি ফারসী বা উর্দু শব্দ থেকে এসেছে। সুদ এর আরবী রিবা। রিবা শব্দের অর্থ হলো আধিক্য, প্রবৃদ্ধি, চড়া বা বিকাশ ও অতিরিক্ত। ইংরেজিতে একে Usury, Interest, Interest of Loan, Premium for the use of money বলা হয়। অনেক সময় বাংলায় একে কুসীদ বলা হয়ে থাকে।

ঋণের ক্ষেত্রে ঋণের আসলের উপর ঋণের শর্তানুসারে অতিরিক্ত নেয়া বা দেয়াই হল সূদ।

Interest is the premium paid by the borrower to the lender along with principal amount as a condition for the loan. Which is prefixed, and hence there is no uncertainty on the part of either the givers or the takers of loans.

মোটকথা, ঋণের আসলের উপর ঋণের শর্ত হিসাবে ধার্যকৃত যেকোন অতিরিক্ত যার কোন বিনিময় মূল্য দেয়া হয় না এবং যার সাথে কারবারের ফলাফল সম্পৃক্ত নয়, তাই সূদ।

সুদ প্রথা হচ্ছে টাকা দিয়ে লাভ হিসেবে বেশি টাকা গ্রহণ। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে সুদ গ্রহণ করা অমার্জনীয় অপরাধ। সম্মানিত ইসলাম উনার দৃষ্টিতে এটা মারাত্মক ক্ষতির কারণ। ইহকাল ও পরকাল উভয়ই বরবাদ সেই সুদখোর ব্যক্তির জন্য। সুদকে আরবীতে বলা হয় الربوا। আর ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Interest। সুদ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও পবিত্র হাদীসে অসংখ্যবার বর্ণনা করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
অর্থ:- “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও। যদি তোমরা সত্যিই বিশ্বাসী হয়ে থাকে।” (সূরা বাক্বারা: আয়াত নং-২৭৮)
অর্থাৎ কেউ যদি সত্যিকার অর্থেই মহান আল্লাহকে বিশ্বাস করে তাহলে সে ব্যক্তি কস্মিনকালেও সুদ খেতে পারে না। সুদ যে কত ভয়াবহ তা পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে।

মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন-
فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَالِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ
অর্থ:- “অতঃপর তোমরা যদি সুদ খাওয়া পরিত্যাগ না করো তবে তোমরা শুনে রাখো মহান আল্লাহ ও তার রাসুল (স) এর পক্ষ হতে জিহাদের ঘোষণা। কিন্তু যদি তোমরা তওবা করো তবে তোমাদের মুলধন তোমাদেরই। এতে তোমরা যালিমের পর্যায়েও পড়বে না। অত্যাচারিতও হবে না।” (সূরা বাক্বারা: আয়াত নং-২৭৯)
অর্থাৎ কেউ যদি সুদ গ্রহণ করে তবে সেটা হবে মহান আল্লাহ ও তার রাসূল (স) এর সাথেই জিহাদ করার শামিল।

হাদিসে এসেছে, রাসূল (স) বলেছেন- “যে ব্যক্তি জেনে শুনে সুদের একটি দেরহাম খায়, তার এই অপরাধ ছত্রিশবার ব্যভিচারের চাইতেও অনেক ভয়াবহ।”

হাদিসে আরো এসেছে- “সুদের দরজা তিয়াত্তরটা। তন্মধ্যে সবচেয়ে সহজতর দরজার দৃষ্টান্ত হচ্ছে যে, ব্যক্তি তার মায়ের সাথে ব্যভিচারের লিপ্ত হলো।”

এত কঠিন হওয়ার পরেও দেখা যায়, এই মুসলিম বিশ্বের প্রায় প্রতিটি লোক সুদের সাথে জড়িত। কেউ টাকা সরাসরি মানুষের মধ্যে দিয়ে সপ্তাহে বা মাসে একটা অংশ লাভ নেয়। আর সুদ গ্রহণ করার সবচেয়ে সহজ যে মাধ্যম ইহুদী-নাছারারা মুসলমানদের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে তাহলো ব্যাংকিং ব্যবস্থা।

বাংলাদেশের শতকরা ৯০ জন মানুষ ব্যাংকের মাধ্যমে এই নিকৃষ্ট সুদের সাথে যুক্ত। ঘরে বসে বিনা পরিশ্রমে পাওয়া যায় বলে এই হারাম কাজের জন্য কোনো প্রতিবাদও নেই। মানুষ এত বেশি দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত যে, হারাম হালাল তারা তোয়াক্কা করে না। তাদের চাই টাকা আর টাকা।

সুতরাং সুদী কারবার করে এমন ব্যাংকে চাকুরী করা হারাম। কারণ, এতে গুনাহের কাজে সহযোগিতা করা হয়।

কেননা, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন-
وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ
অর্থ: “পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না।” (সূরা মায়িদাহ: ০২)

হাদিসে এসেছে, হযরত হুযাইফা (রা) বলেন, হুযূর (স) ইরশাদ করেন- “মানুষের অন্তরে ফিতনা সমূহ এমনভাবে প্রবেশ করে যেমন- পাটের আঁশ একটির পর আরেকটি বিছানো থাকে এবং যে অন্তরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তা প্রবেশ করে এতে একটি কালো দাগ পড়ে। ফলে মানুষের অন্তরসমূহ পৃথক পৃথক দুইভাবে বিভক্ত হয়ে যায়। এক প্রকার অন্তর হয় মর্মর পাথরের মতো সাদা। যাকে আসমান ও যমীন বহাল থাকা পর্যন্ত কোনো ফিতনাই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। পক্ষান্তরে দ্বিতীয় প্রকার অন্তর হয় কয়লার মতো কৃষ্ণ। যেমন- উপুড় হওয়া পাত্রের ন্যায়। যাতে কিছু ধারণ করার ক্ষমতা থাকে না। ওটা ভালোকে ভালো জানার এবং মন্দকে মন্দ জানার ক্ষমতা রাখে না, ফলে কেবলমাত্র ওটাই গ্রহণ করে যা তার প্রবৃত্তির চাহিদা হয়।” (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)

অর্থাৎ হারাম কাজ করতে করতে এদের অন্তর কালো কয়লার মতো হয়ে গেছে। ভালো-মন্দের পার্থক্য করার ক্ষমতা তাদের থাকে না। তারা শুধু বুঝে দুনিয়া আর দুনিয়া আর দুনিয়া আর দুনিয়াবী কিছু ফায়দা। আর এই দুনিয়াবী ফায়দা হাছিল হয় নিজের মনুষত্ব, বিবেক বিক্রি করার ফলে। মহান আল্লাহ পাক এবং তার রাসূল (স) এর আদেশের খিলাফ চলতে তাদের অন্তরে এতটুকু সঙ্কাবোধ হয় না।
এই হারাম সুদ খাওয়া ব্যভিচারের চেয়েও কঠিন গুনাহের কাজ। আর ব্যভিচারের শাস্তি ইহকাল ও পরকালে উভয় জায়গাতেই রয়ে গেছে। আর সুদ গ্রহণের শাস্তিতো রয়েই গেছে।

রাসূল (স) যখন পবিত্র মি’রাজে গেলেন তখন তিনি কতগুলো লোককে দেখলেন; যাদের পেট বড় বড় ঘরের মত। যখনই উঠতে চাচ্ছে তখনই পরে যাচ্ছে। এবং বারবার বলছে, “ইয়া আল্লাহ! ক্বিয়ামত যেন সংঘঠিত না হয়।” কতকগুলো জন্তু দ্বারা তারা পদদলিত হচ্ছে। আর তারা মহান আল্লাহর দরবারে হাঁ-হুঁতাশ করছে। তাদেরকে এজন্য এই শাস্তি দেয়া হচ্ছে যে তারা সুদ খেতো।

মহান আল্লাহ বলেন-
ٱلَّذِينَ يَأْكُلُونَ ٱلرِّبَوٰا۟ لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ ٱلَّذِى يَتَخَبَّطُهُ ٱلشَّيْطَٰنُ مِنَ ٱلْمَسِّ 
অর্থাৎ “যারা সুদ খায় ক্বিয়ামতের দিন তারা ঠিক সেই ব্যক্তির ন্যায় উঠবে, যাদেরকে শয়তান পাগল করে রেখেছে।” (সূরা বাকারা–২৭৫ নং আয়াত)

যে সুদ খাওয়াকে এতবড় জঘন্য পাপ কাজ বলে পবিত্র কুরআন ও হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে তারপরেও মানুষ কিভাবে সুদ খেতে পারে? যাদের মধ্যে মহান আল্লাহর ভয় রয়েছে, তার শাস্তির ভয় রয়েছে, তারা কস্মিনকালেও সুদ খেতে পারে না। মহান আল্লাহর থেকে গাফিল হওয়ার কারণেই তাদের দ্বারা এই ঘৃণিত পাপ কাজ করা সম্ভব।

ধারের বিনিময়ে সুদ গ্রহণ এবং হারাম ব্যবসায়ে অর্থ বিনিয়োগকে ইসলাম অবৈধ করেছে। শরীয়তের এই রীতি মেনে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিচালনার নীতিগত ধারণাটিকেই ইসলামী ব্যাংকিং বলে। খুলাফায়ে রাশেদীনের পর থেকে শুরু করে ৮০০-১২০০ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত ইসলামের স্বর্ণযুগে যে ব্যাপকভিত্তিক ইসলামী অর্থনীতির বিকাশ ঘটে তারই অনুপ্রেরণায় ৬০ এর দশকের মাঝামাঝি মিশরে প্রথম এই ইসলামি ব্যাংকিং পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়। পরবর্তীতে ইরান, সৌদি আরব এবং মালয়েশিয়ায় বিস্তৃত হয় ইসলামি ব্যাংকিং।

ইসলামি ব্যাংকিং সুদভিত্তিক প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিপরীতে তাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত হয় লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগির শর্তানুসারে। মুদারাবা, মুশারাকা, মুরাবাহাসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক লেনদেনের নিয়ম রয়েছে।

সূতরাং যেহেতু প্রত্যেক মুসলমানের জন্য হালাল রুজী-রোজগার তথা ইনকাম করা ফরজ সেদিক বিবেচনা করে অন্তত নিজে ও পরিবারকে হারাম থেকে বাচানোর জন্য সুদী ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যদিও বর্তমানে ব্যাংকে চাকরি করাটা স্ট্যাণ্ডার্ড ক্যারিয়ার হিসেবে গন্য হয়ে থাকে বর্তমান সমাজে। কিন্তু আপনি যদি হারাম থেকে বাচতে চান তবে এই সেক্টর পরিহার করুন। কেননা হালাল রুজী হচ্ছে সর্ব প্রকার ইবাদতের মূল, যে হারাম রুজী উপার্জন করে তার কোন ইবাদতই কবুল হবে না।

ব্যাংকে চাকরি করা হারাম হওয়ার মূলত কারণ দু’টি। যথা-
১. হারাম কাজে সহায়তা করা ও
২. হারাম মাল থেকে বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকা।

হারাম কাজের সহায়তার বিভিন্ন স্তর আছে। শরীয়তে সর্ব ধরণের সহায়তা হারাম নয়। বরং সেসব সহায়তা হারাম যাতে সরাসরি হারাম কাজে জড়িত হওয়া হয়। যেমন সুদী লেনদেন করা। সুদী লেনদেন লেখা। সুদী টাকা উসুল করা ইত্যাদি।

عبد الله بن مسعود عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لعن الله آكل الربا وموكله وشاهديه وكاتبه
অর্থাৎ হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন- রাসুল (স) ইরশাদ করেছেন-“যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, তার সাক্ষী যে হয়, আর দলিল যে লিখে তাদের সকলেরই উপর আল্লাহ তায়ালা অভিশাপ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং-৩৮০৯, মুসনাদে আবি ইয়ালা, হাদিস নং-৪৯৮১)

সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, জাবের রা. হতে বর্ণিত-
أنه لعن آكل الربا وموكله وكاتبه وشاهديه، وقال: هم سواء
অর্থাৎ “সুদ গ্রহীতা, সুদ দাতা, সুদের লেখক এবং স্বাক্ষীদ্বয়কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অভিশম্পাত করেছেন এবং বলেছেন, তারা সকলেই সমান (গুনাহগার)।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯৯৫, শামেলা)

তবে যদি সুদী কাজে জড়িত না হতে হয়, বরং তার কাজের ধরণ এমন হয় যেমন ড্রাইভার, ঝাড়ুদার, দারোয়ান, জায়েজ কারবারে বিনিয়োগ ইত্যাদি হয় তাহলে যেহেতু এসবে সরাসরি সুদের সহায়তা নেই তাই এমন চাকুরী করার সুযোগ আছে।

ولا يجوز قبول هدية أمراء الجور لأن الغالب في مالهم الحرمة إلا إذا علم أن أكثر ماله حلال بأن كان صاحب تجارة أو زرع فلا بأس به لأن أموال الناس لا تخلو عن قليل حرام فالمعتبر الغالب (الفتاوى الهندية، كتاب الكراهية، الثاني عشر في الهدايا والضيافات-5/342)
অর্থাৎ জালেম বাদশাহর হাদিয়া গ্রহণ জায়েজ নয়। কেননা তার অধিকাংশ মাল হয় হারাম। তবে যদি জানা যায় যে, তার অধিকাংশ মাল হালাল, এ হিসেবে যে সে ব্যবসায়ী বা জমিদার, তাহলে তার থেকে হাদিয়া গ্রহণ করাতে সমস্যা নেই। কেননা সাধারণত মানুষের মাল অল্প হারাম থেকে মুক্ত নয়। তাই এতে আধিক্যের বিষয়টি বিবেচিত হবে। {ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া-৫/৩৪২}

ব্যাংকের অবস্থা এই যে, তার পূর্ণ সম্পদ কয়েকটি বিষয়ের সমষ্টি। যথা-
১. মূলধন;
২. সঞ্চয়কারীদের জমাকৃত টাকা;
৩. জায়েজ ব্যবসার আমদানী; ও
৪. সুদ এবং হারাম ব্যবসার আমদানী।
এ চারটি বিষয়ের মাঝে কেবল ৪র্থ সুরতটি হারাম। বাকিগুলো যদি কোন হারাম কাজ না হয় তাহলে মূলত জায়েজ।

যেসব ব্যাংকে প্রথম ৩টি বিষয়ের লেনদেন অধিক। আর ৪র্থ বিষয়টি তথা হারাম লেনদেনের লভ্যাংশ কম সেসব ব্যাংকে সেসব ডিপার্টমেন্টে চাকরী করা যাতে হারাম কাজ করতে না হয় তাহলে তা জায়েজ হবে এবং বেতন নেওয়াও জায়েজ হবে। তবে উত্তম হল এ চাকরীও ছেড়ে দেয়া।

কিন্তু যদি হারাম আমদানী বেশি হয় হালালের তুলনায়, বা হারাম কাজে জড়িত হতে হয় তাহলে উক্ত ব্যাংকে চাকরী করা জায়েজ নয়। এ থেকে বেতন নেওয়াও জায়েজ নয়। বেতন নিলে তা হারাম হিসেবে গণ্য হবে। {ফাতওয়ায়ে উসমানী-৩/৩৯৪-৩৯৬}

তবে যে সকল ইসলামী ব্যাংক সুদ মুক্তভাবে কার্যক্রম করে সে সকল ব্যাংকে কাজ করাতে দোষ নাই। আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে সুদের গুনাহ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

ব্যাংকে চাকরী করা, ব্যাংকের টাকায় বেতন নেয়া, ব্যাংকের সুদ খাওয়া, সুদী ব্যাংকে চাকুরী করা, ব্যাংকে লেনদেন করা, ব্যাংকের টাকায় ব্যবসা করা ইত্যাদি কি হালাল নাকি হারাম এই বিষয়ে আলেম ওলামারা (শাইখ আহমাদুল্লাহ, অধ্যক্ষ সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী, ডঃ সাইফুল্লাহ, ডঃ মোহাম্মদ মনজুর এ এলাহী, ডাঃ জাকির নায়েক, আমানুল্লাহ মাদানি, ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম সহ আর অনেকে) যে সকল মতামত দিয়েছেন তার সবগুলো একত্র করে দেয়া হয়েছে নিচের ভিডিওটিতে

Leave a Reply