ব্যাংকিং ডিপ্লোমা একটি আবেদন আর কিছু প্রস্তাবনা

0
1501

“ইনষ্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ” (আইবিবি) এর পরীক্ষক হিসাবে খাতা দেখার সময় সংশ্লিষ্ট চাকুরীজীবি পরীক্ষার্থী তার খাতার লেখালিখির শেষ ভাগে এ আকুল আবেদনটা করেছেন। পরীক্ষক হিসেবে যদিও আমার কোনো আবেগ দেখানোর সুযোগ নেই, কিন্তু তারপরও আমার খুব কষ্ট লেগেছে এই ভেবে যে ৫৭ বৎসর বয়সের একজন কর্মকর্তা যার আর মাত্র দুই বৎসর চাকুরী রয়েছে- একটি প্রমোশনের আশায় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।

এ পরীক্ষার্থীর আকুল এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর নিকট কয়েকটি প্রস্তাব করতে চাই, তা হল:
ক) ব্যাংকসমূহ তাদের কর্মকর্তদের একটা লেভেল পর্যন্ত ব্যাংকিং ডিপ্লোমার বাধ্যবাধকতা বা ডিপ্লোমা এর নম্বর যোগ করা ছাড়াই একটা পর্যায় পর্যন্ত যেমন এসপিও পর্যন্ত (কোনো দূর্নীতির অভিযোগ না থাকলে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ অন্যান্য যোগ্যতা ঠিক থাকলে) পোস্ট থাকা সাপেক্ষে এবং শুধু মাত্র সিনিয়রিটির ভিত্তিতে প্রমোশন দেয়ার বিধান চালু করা যায় কি না পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ডিপ্লোমা ঐচ্ছিক থাকবে এবং কেউ যদি ডিপ্লোমা পাশ করে তাকে আর্থিক প্রনোদনা দেয়া যেতে পারে।

খ) যেহেতু ব্যাংকিং ডিপ্লোমার নম্বর প্রমোশণের জন্য যোগ হয় তাই ডিপ্লোমা পরীক্ষার পাশ নম্বর কেবল ক্যাশিয়ার থেকে জেনারেল সাইডে যেতে এবং এস পিও বা সমমর্যাদা পদ থেকে এজিএম পদে প্রমোশনের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এ সকল পরীক্ষার্থী দের জন্য বর্তমানে যে পাশ মার্ক ৫০ রয়েছে তা কমিয়ে ৪০ করা যেতে পারে এবং বিদ্যমান বিষয়গুলো বহাল থাকতে পারে; তবে এ পর্যায়ে ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক থাকবে না, পাশ করলে প্রমোশনের জন্য যোগ হবে।

গ) এজিএম বা সমমান থেকে জিএম পদের প্রমোশনের জন্য ব্যাংকিং ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক থাকবে এবং এ সকল পরীক্ষার্থীদের পাশ মার্ক ৫০ রাখা যেতে পারে।

তবে তাদের সিলেবাস বা বিষয় হবে মাইক্রো এবং ম্যাক্রো অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থ ও বানিজ্য, ব্যাংকিং বিধি বিধান ও আইন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বানিজ্য নীতিমালা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের/ সরকারের অর্থনৈতিক নীতিমালা ইত্যাদি।
কার্টেসিঃ [একজন পরীক্ষকের স্ট্যাটাস]

Leave a Reply