ট্রেড লাইসেন্স কি? কীভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়

0
2375

পৃথিবীর প্রত্যেকটি স্বীকৃত কাজের জন্য অনুমতির প্রয়োজন হয়। এ সকল অনুমোদন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া হয়। বৈধভাবে যেকোনো ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। সাধারণত সিটি করপোরেশন ও মেট্রো পলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা বা জেলা পরিষদ এই লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহারযোগ্য নয়। ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়মাবলী না জানার কারণে প্রায়শঃ সকলকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই আজকের এই লেখাতে দেখাবো ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কিভাবে এটি করতে হয়?

ট্রেড লাইসেন্স কি?
ব্যবসায় কাজের প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স। ট্রেড লাইসেন্স এর অনুমোদন রাষ্ট্রের কাছ থেকে নেয়া হয়। সিটি কর্পোরেশন কর বিধান– ১৯৮৩ (City Corporation Taxation Rules- 1983) এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্সের সুচনা ঘটে। এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়ে থাকে। ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স (Trade License)। আমাদের দেশে এমন অনেক সফল উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন কিন্তু এটা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধী।

Trade মানে হচ্ছে ব্যবসা আর License মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র। যেহেতু এই ট্রেড লাইসেন্স সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যু করা হয় তাই আপনার ব্যবসার বৈধতার প্রতীক হচ্ছে এই ট্রেড লাইসেন্স।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী কাগজপত্র জমা দিতে হয় তার একটি তালিকা নিম্নে তুলে ধরা হলো-
ক) সাধারণ ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে
১. নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
২. ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর স্থান ব্যক্তিগত হলে সিটি কর্পোরেশনের হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়ায় হলে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ভাড়ার চুক্তিপত্রে সত্যায়িত ফটোকপি।
৩. আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪. ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে।

খ) ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে
১) পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের কপি।
২) প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পার্শ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/লোকেশন ম্যাপ।
৩) প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা।
৪) ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র।

গ) সিএনজি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থ ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র
ঘ) ক্লিনিক/প্রাইভেট হাসপাতালের ক্ষেত্রে ডিরেক্টর জেনারেল– স্বাস্থ্য, কর্তৃক অনুমতিপত্র
ঙ) লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল অথবা সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন
চ) প্রিন্টিং প্রেস এবং আবাসিক হোটেল এর ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনার, কর্তৃক অনুমতিপত্র
ছ) রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে মানব সম্পদ রপ্তানী ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স
জ) অস্ত্র ও গোলা-বারুদ এর ক্ষেত্রে অস্ত্রের লাইসেন্স
ঝ) ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি
ট) ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি।

আবেদনের যোগ্যতা
১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের যেকোন প্রাপ্তবয়স্ক নারী এবং পুরুষ উভয়ই ট্রেড-লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে, আবেদনকারীকে অবশ্যই কোন না কোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে হবে।

লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত হবে আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী। ব্যবসার অবস্থান যদি ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হয়, তবে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন থেকে এটি সংগ্রহ করতে হবে। ব্যবসার অবস্থান সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে হলে, সংশ্লিষ্ট পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ অথবা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে এই License সংগ্রহ করতে হবে।

ঢাকায় কিভাবে আবেদন করবেন
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দুটি ভাগে বিভক্ত। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন আবার ৫টি করে আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলে পড়েছে, আপনাকে ওই অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস থেকে ট্রেড-লাইসেন্সটি (Trade License) সংগ্রহ করতে হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোন ওয়ার্ড বা এলাকা কোন অঞ্চলে পড়েছে, তা জানতে ক্লিক করুন এখানে

ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন
ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের কোন এলাকা বা ওয়ার্ড কোন অঞ্চলে পড়েছে, তা জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে

ট্রেড লাইসেন্সের ধরন বা ক্যাটাগরি নির্বাচন
অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবসার ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করলে পরবর্তীতে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনসহ সারাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের জন্য সরকার নির্ধারিত (২০১৬ সালের গেজেট অনুসারে) ২৯৪ টি ক্যাটাগরিতে ট্রেড-লাইসেন্স (Trade License) প্রদান করা হয়। ভালভাবে আপনার ব্যবসার প্রকৃতি বিবেচনা করে, নির্ধারিত ক্যাটাগরি থেকে আপনার উপযুক্ত ক্যাটাগরিটি নির্বাচন করুন। সঠিক ক্যাটাগরি খুঁজে পেতে ক্লিক করুন এখানে

ট্রেড লাইসেন্স ফি এর তালিকা
লাইসেন্স ফি কত হবে তা আপনার ব্যবসার ক্যাটাগরির ওপর নির্ভর করবে। সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্রেড লাইসেন্স ফি হতে পারে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী নির্ধারিত ফি সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ফি এর সাথে ১৫% ভ্যাট, সাইনবোর্ড চার্জ এবং License বইয়ের মূল্য (২০০ টাকা) যোগ হবে।

ব্যবসার অবস্থান সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে হলে, সংশ্লিষ্ট পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জেনে নিতে হবে। সাধারনভাবে একটি License পেতে তিন দিন সময় লাগে, তবে তদন্তের প্রয়োজন হলে সাত দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জানতে সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স গেজেট ২০১৬ দেখতে পারেন। এখানে ২৯৪ টি ক্যাটাগরির সাথে নির্ধারিত ফি দেয়া আছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি তালিকা দেখতে ক্লিক করুন এখানে

ই-কমার্স ব্যবসায় ট্রেড লাইসেন্স
অনলাইন বা ই কমার্স ব্যবসার জন্য লাইসেন্স অবশ্যই করতে হবে। তবে, আপনি যদি অস্থায়ীভাবে কিছুদিনের জন্য ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুক-এ অনলাইন ব্যবসা করতে চান সেক্ষেত্রে, লাইসেন্স না করেও হয়ত ব্যবসা করে যেতে পারবেন। কিন্তু, লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ভেন্ডর থেকে পণ্য নিতে, কোন ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য হতে এবং ব্যাংক লোণ পেতে সমস্যা হতে পারে। অনলাইন বা ই-কমার্স ব্যবসার লাইসেন্স “আইটি ব্যবসা” ক্যাটাগরিতে করতে হবে। অন্য কোন ক্যাটাগরিতে License করতে চাইলে তা গেজেটে বর্ণীত ক্যাটাগরি তালিকায় আছে কিনা এবং আপনার ব্যবসার সাথে কতোটুকু সম্পৃক্ত, তা ভালভাবে যাচাই করে নিবেন। অনলাইন বা ই-কমার্স ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি হবে “আইটি ব্যবসা”– ক্যাটাগরি তালিকায় ক্রমিক নং ২৫৩ দেখুন।

ট্রেড-লাইসেন্স ফরম পূরণের নিয়ম
বাংলাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্সের ফর্ম একই রকম, শুধুমাত্র ফর্মের উপরের অংশে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের নাম উল্লেখ থাকে। কিভাবে লাইসেন্সের আবেদন ফরম পুরন করবেন তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হলো-
ক) প্রথমে ১ থেকে ৬ নম্বর ঘর পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম, আবেদনকারীর নাম, আবেদনকারীর পিতা অথবা স্বামীর নাম, আবেদনকারীর মাতার নাম, আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা এবং আবেদনকারীর বসবাসের ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন।
খ) পার্টনারশিপ বা যৌথ (২জন মালিক হলে) ব্যবসায় লাইসেন্সটি ২জনের নামে ইস্যু হবে। এক্ষেত্রে ২জনের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং ১ম থেকে ৪র্থ ঘরে ২ জনের তথ্যই পাশাপাশি পূরণ করতে হবে। ৫ এবং ৬ নং ঘরে আপনি ইচ্ছা করলে ১ম আবেদনকারীর তথ্য দিতে পারেন, আবার ২জনের তথ্যও দিতে পারেন। ২জনের অধিক মালিকের ক্ষেত্রে, কোম্পানি বা পার্টনারশিপ ফার্ম মনোনীত ব্যক্তির নামে Trade License ইস্যু হবে।
গ) ৭ম ঘরে আবেদনকারীর প্রস্তাবিত ব্যবসায়ের ঠিকানা সঠিকভাবে লিখতে হবে। ৮ এবং ৯ নাম্বার ঘরে জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার এবং আবেদনকারীর জাতীয়তা পূরণ করুন।
ঘ) এবার ১০ম ঘর অত্যন্ত সাবধানতার সাথে পূরণ করতে হবে। কি ধরনের ব্যবসা অর্থাৎ ব্যবসার ক্যাটাগরি পূরণ করুন। অবশ্যই ক্যাটাগরি বাংলাতে এবং গেজেটে যেভাবে লেখা আছে, সেভাবে পূরণ করতে হবে।
ঙ) ১১ ও ১২ নাম্বার ঘরে ব্যবসা আরম্ভ করার তারিখ এবং ব্যবসায়ের মূলধন কত তা লিখুন। ব্যবসায়ের মূলধন মূলত কোম্পানির ক্ষেত্রে পূরণ করতে হবে। ব্যবসায়ের নামে আয়কর প্রদান করে থাকলে ১৩ নাম্বার ঘরে টিন নাম্বার পূরণ করুন।
চ) ১৪ নাম্বার ঘরে আপনার ব্যবসা বা দোকান ঘরের স্থান, নিজস্ব নাকি ভাড়া তা টিক চিহ্ন দিয়ে পূরণ করুন। ১৫ নাম্বার ঘরে সাইনবোর্ড আছে কিনা তা হ্যাঁ অথবা না দিয়ে পূরণ করুন। ১৬ নাম্বারে আপনার ব্যবসায়ের প্রস্তাবিত দোকান বা ব্যবসায়ের স্থান, পৌর বা সরকারি ভূমির উপর অবস্থিত কিনা তা টিক দিয়ে পূরণ করুন। ১৭ নাম্বারে ছ) আপনার দোকান বা অফিস কত তলায় অবস্থিত তা টিক দিয়ে পূরণ করতে হবে। ১৮ নম্বর ঘরে আবেদনকারীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি লিখুন।
জ) সবশেষে স্পষ্টাক্ষরে আবেদনকারীর নাম, স্বাক্ষর ও তারিখ লিখুন এবং সংযুক্তকৃত কাগজের নামের বাম পাশে টিক চিহ্ন দিন। সকল সংযুক্ত কাগজপত্র ওয়ার্ড কাউন্সিলর অথবা প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে। এবার ছবি সংযুক্ত করুন।

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
লাইসেন্স নবায়ন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। একটি লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর এবং এর মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এ জন্য আগের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। দায়িত্ব প্রাপ্ত আঞ্চলিক কর কর্মকর্তা নবায়নকৃত লাইসেন্স প্রদান করবেন। লাইসেন্স নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্স ফির সমান। এই ফি আগের মতোই ফরমে উল্লিখিত ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স আইন বা বিধিমালা
একটি Trade License শুধুমাত্র একটি ব্যবসায় ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ, যে ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয়েছে শুধু সেই ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে অন্য কোনো নামে অথবা অন্য কোন ক্যাটাগরির ব্যবসার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে না। নতুন ব্যবসার জন্য আবার আবার নতুন করে এটি করতে হবে।

একইভাবে, একটি Trade License শুধুমাত্র একজন অর্থাৎ যার নামে লাইসেন্সটি ইস্যু করা হয়েছে, তিনি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি কোন অবস্থাতেই হস্তান্তরযোগ্য নয়।

লাইসেন্স বাতিল
মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে, লাইসেন্সে উল্লিখিত শর্তাবলি এবং সিটি করপোরেশনের আইন ও বিধি মেনে না চললে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া লাইসেন্স গ্রহীতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে গ্রহীতাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরম
ট্রেড লাইসেন্সের (Trade License) জন্য সিটি করপোরেশন নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনসহ সকল সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ফরম একই রকমের হয়। শুধুমাত্র, উপরে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের নাম উল্লেখ থাকে। পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ফরম নিজস্ব প্যাডে নিজস্ব ফরম্যাটে প্রস্তুতকৃত হয়ে থাকে। ট্রেড লাইসেন্স ফরম ডাউনলোড করতে নিম্নোক্ত লিংকগুলোতে ক্লিক করুন।

সোর্সঃ ইন্টারনেট

Leave a Reply