ব্যাংকিং এ শরীয়াহ: প্রসঙ্গ বিনিয়োগ

0
1479

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ ব্যাংকের প্রধান কাজ হলো জনগণ থেকে আমানত সংগ্রহ করে তা প্রকৃত উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়িদের মাঝে খাটানো। প্রচলিত সুদী ব্যাংক সমূহের তহবিল খাটানোর সর্বজনবিধিত এবং বহুল প্রচলিত পদ্ধতি হলো নগদ ঋণ (Cash Credit) বা সিসি। ব্যবসায়ী-অব্যবসায়ী এবং শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে সিসি শব্দটির সাথে সমাজের সকল মানুষ সমধিক পরিচিত। উল্লেখ্য যে সিসি বা ক্যাশ ক্রেডিট ব্যাংক ঋণের এমন একটি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি যেখানে ব্যাংক গ্রাহকের আবেদনক্রমে মঞ্জুরীকৃত ঋণের টাকা তার হিসাবে জমা করে দেয় এই শর্তে যে গ্রাহক হিসাব থেকে উত্তোলনকৃত টাকার উপর বাৎসরিক হারে মূলধনের অতিরিক্ত পূর্ব নির্ধারতি হারে ঋণদাতা ব্যাংককে প্রদান করবে। এখানে কোনরূপ পণ্যের ক্রয় বিক্রয় ছাড়াই মূলধনের উপর অর্জিত অতিরিক্ত অংশই ইসলামী শরীয়াতের দৃষ্টিতে সুদ বলে বিবেচিত। ইসলামী ব্যাংক ব্যবসার উদ্দেশ্যে কাউকে নগদ টাকা ঋণ বা ধার দেয় না। তার পরিবর্তে ইসলামী শরীয়া অনুমোদিত বিনিয়োগ এবং অর্থায়ন পদ্ধতিতে ব্যবসা করে সম্পূর্ণ হালাল আয় উপার্জন করে।

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে অনুসৃত বিনিয়োগ/অর্থায়ন পদ্ধতি: ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বর্তমান সময়ে অনুসৃত পদ্ধতিগুলো মোটামুটি নিম্নরূপ:

১) বাই (ক্রয়-বিক্রয়) পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে ইসলামী শরীয়াহ অনুমোদিত ক্রয়-বিক্রয়ে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংক ব্যবসা করে। আর বাই বা ক্রয়–বিক্রয় হলো দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সকল পক্ষের স্বেচ্ছায় ব্যবসায়িক পদ্ধতির পণ্য বিনিময় লেনদেন। যদ্বারা বিক্রেতা তার মালিকানা এবং অধিকারে থাকা কোন পণ্য মালিকানা স্বত্বসহ অপর পক্ষের নিকট স্বেচ্ছাসম্মত বিনিময় মূল্যে হস্তান্তর করে। ইসলামী ব্যাংকিয়ে শরীয়া সম্মত সেসব নীতিমালা অনুসৃত বিভিন্ন পদ্ধতির অনুসরণ করে থাকে। যেমন:

ক) বাই- মুরাবাহা (সম্মত লাভে ক্রয় বিক্রয়): বাই মুরাবাহা সাধারণ ভাবে ক্রয় বিক্রয়ের এমন এক পদ্ধতিকে বুঝায় যেখানে কোন পণ্যের ক্রয় মূল্যের উপর ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের সম্মতিক্রমে নির্ধারিত মুনাফা মারজিন বা মার্কআপ ধার্য করে বিক্রয় করা হয়। এই পদ্ধতিতে নগদ মূল্য অথবা ভবিষ্যতে এককালীন/কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের শর্তে বাকীতে বিক্রি করা যায়।

ব্যাংকিংয়ে মুরাবাহা: ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মুরাবাহা পদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ এবং অনুশীলন লক্ষনীয়। এই পদ্ধতিতে ব্যাংক এবং গ্রাহকের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আলোকে গ্রাহকের অনুরোধক্রমে ব্যাংক সরবরাহকারী/উৎপাদনকারী/বিক্রেতার নিকট হতে চাহিত পণ্য ক্রয় পূর্বক মালিকানা এবং দখল নিশ্চিত করে এর সাথে পূর্ব সম্মত মুনাফা যোগ করে সেই পণ্য আবার গ্রাহকের নিকট এক বছরের বাকীতে বিক্রয় করে। গ্রাহক তার নিজস্ব ঝুঁকি, দায়িত্ব এবং তত্ত্বাবধানে তাৎক্ষণিক অথবা পরবর্তি সুবিধাজনক সময়ে সেই পণ্য বিক্রয় করে এককালীন অথবা কিস্তিতে ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করে দায়মুক্ত হয়।

খ) বাই-মুয়াজ্জাল (ক্রেডিট সেল): ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এককালীন অথবা কিস্তিতে মূল্য পরিশোধ করার শর্তে পণ্য সামগ্রী বিক্রয় করাকে বাই-মুয়াজ্জাল বলে। এই পদ্ধতিতে বিক্রেতার ঘোষণা কিংবা ক্রেতার পাল্টা প্রস্তাবই পণ্যের অভিহিত মূল্য। বিক্রেতার ক্রয়মূল্য বা লাভালাভের পরিমাণ উহ্য রেখেই এই ক্রয়-বিক্রয় সংঘটিত হয়। তবে ক্রয়মূল্য বা লাভের কথা জানলে বা জানালেও দোষের বা অন্যায় কিছু নেই। যেমন ব্যাংকিং প্র্যাকটিস বাই মুয়াজ্জাল আর বাই মুরাবাহা উভয় অবস্থায়ই পণ্যের ক্রয়মূল্য এবং তার উপর লাভের পরিমাণ জানে।

ব্যাংকিংয়ে বাই মুয়াজ্জাল: ব্যাংকে বাই মুরাবাহ বিল আজাল এর প্র্যাকটিস আছে। তার মানে সম্মত মুনাফায় বাই মুরাবাহা আবার বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ থাকায় বাই-মুয়াজ্জাল পদ্ধতির অনুশীলন একই সাথে পাওয়া যায়। কারণ বাস্তবে বাই মুয়াজ্জাল বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও গ্রাহককে মুনাফার পরিমাণ জানানো হয়।

গ) বাই- সালাম: বাই সালাম মানে বা অগ্রীম ক্রয়-বিক্রয়। ভবিষ্যতে উৎপাদিত বা তৈরী হবে এমন পণ্যের অগ্রীম ক্রয়-বিক্রয় করাকে বাই সালাম বলে। এতে মালের নির্ধারিত মূল্য অগ্রীম পরিশোধ করা হয়; কিন্তু মালামাল নির্ধারিত সময়ের জন্য বাকি থাকে। ইংরেজীতে এই পদ্ধতিকে বলা হয় “Price Paid Goods Deffered”। সাধারণত: কৃষিজ ফসল এবং কুটির শিল্প উৎপাদন উপযোগী এই পদ্ধতি। ইসলামী ব্যাংকিয়ে ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ নেয়ার শর্তে নগদে মূল্য পরিশোধ করে মালামাল ক্রয়ে বিনিয়োগ করে। অত:পর নির্ধারিত পরিমাণ এবং গুণাগুণ সম্পন্ন পন্য যথা সময়ে বুঝে নিয়ে তা বিক্রয় করে ব্যবসা করে।

ব্যাংকিংয়ে বাই-সালাম: ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যাংক নায্য মূল্য নির্ধারণ করে কৃষক এবং কুটির শিল্প পন্য উৎপাদনকারীর সাথে চুক্তিমূল্যে নগদ মূল্য পরিশোধ করে অগ্রীম মালামাল ক্রয় করে। এতে কৃষক/উৎপাদনকারী উৎপাদন সহায়ক পূজিঁ হাতে পায় এবং নির্বিঘ্নে উৎপাদন/চাষ সম্পন্ন করে ব্যাংকের মালামাল ব্যাংকের নিকট বুঝিয়ে দেয়। ব্যাংক সেই পণ্য বিক্রয় করে লাভ অথবা লোকসান এর ভাগিধার হয়।

ঘ) বাই-ইসতিসনা (Order Sale): ইসতিসনা হচ্ছে এমন একটি ক্রয় বিক্রয় চুক্তি যেখানে ক্রেতার দেয়া নমুনা ও আদেশ মতে উভয়ের সম্মতিতে নির্ধারিত মূল্যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিক্রেতা কোন পণ্য তৈরী বা সংগ্রহ করে দেয়। উভয়ের সম্মতিতে মূল্য সম্পূর্ণ বা আংশিক অগ্রীম প্রদান করা অথবা সরবরাহের সময় সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ উভয়ই বৈধ।

ব্যাংকিংয়ে ইসতিসনা: শুধুমাত্র মেশিনপত্র বা হাতে তৈরী পণ্যের ক্ষেত্রে বাই ইসতিসনা চুক্তি করা যায়। ধরা যাক কোন গার্মেন্টস মালিক এক হাজার শার্ট তৈরীর একটি রফতানি অর্ডার পেল। কিন্তু তার হাতে সে অর্ডার সম্পন্ন করার মত পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থান নেই। এমতাবস্থায় ব্যাংকের দ্বারস্থ হলে ব্যাংক গ্রাহকের আবেদনক্রমে ইসতিসনা চুক্তি করে বর্ণিত পণ্যের মূল্য অগ্রীম পরিশোধ করে উৎপাদনে সহযোগিতা করে। পণ্য তৈরীর পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই উৎপাদক (গ্রাহক) ব্যাংক (ক্রেতার) এর নিকট বুঝিয়ে দেয়। অত:পর গ্রাহকের পক্ষে ব্যাংক পণ্যের রফতানি শিপমেন্ট করে। আমদানীকারক কর্তৃক ডকুমেন্টস গৃহীত হবার পর অর্জিত রফতানীমূল্য গ্রাহকের হিসাব থেকে ব্যাংক তার পাওনা সমন্বয় করে।

২) শিরকত (অংশিদারি পদ্ধতি): শিরকত হচ্ছে অংশিদারীমূলক কারবার/উদ্যোগে অর্থায়নের শরীয়াত সম্মত পদ্ধতি। এর অধীনে থাকা পদ্ধতির মধ্যে মুদারাবা ও মুশারাকা অন্যতম।

ক) মুদারাবা: মুদারাবা ইসলামী অর্থায়ন বা তহবিল সংগ্রহের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে এক পক্ষ ব্যবসায়/ উদ্যোগের সম্পূর্ণ পূজির যোগান দেন এবং দ্বিতীয় পক্ষ উদ্যোক্তা ব্যবসা পরিচালনা করেন এই শর্তে যে ব্যবসার নীট লাভের চুক্তিসম্মত অংশ পূজিঁ সরবরাহকারী পাবেন। তবে ব্যবসার প্রকৃত লোকসানের দায় এককভাবে পূজি সরবরাহকারী বহন করবেন। মুদারাবা পদ্ধতিতে পূজিঁ সরবরাহকারীকে সাহিবুল মাল এবং উদ্যোক্তাকে মুদারিব বলা হয়। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক সমূহ তহবিল সংগ্রহ এবং অর্থায়নে এই নীতি অনুসরণ করে থাকে। তহবিল সংগ্রহকালে ইসলামী ব্যাংক মুদারিব এবং আমানতকারীগণ মর্যাদা লাভ করেন। আবার ইসলামী ব্যাংক যখন একই পদ্ধতিতে অর্থায়ন করে তখন ইসলামী ব্যাংক সাহিবুল মাল এবং গ্রাহকপক্ষ মুদারিব বলে গণ্য হন।

খ) মুশারাকা: মুশারাকা অংশিদারী কারবারের এমন একটি পদ্ধতির নাম যেখানে কোন উদ্যোগ/ব্যবসায় একাধিকপক্ষের অংশ গ্রহণে পূঁজি গঠন এবং কারবারী প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। কারবারের লাভালাভ অংশিদারগণ পূর্ব নির্ধারিত হারে ভোগ করেন এবং লোকসানের দায় প্রত্যেকের পূজিঁর অনুপাতে গ্রহণ করেন। মুশারাকা উদ্যোগের চুক্তিই হলো মূল ভিত্তি।

৩) ইজারা বিল বাই: ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থায় ইজারা পদ্ধতির অধীনে এমন একটি বিনিয়োগ পদ্ধতির উন্মেষ ঘটেছে যেখানে মালিকানায় অংশিদারিত্ব (শিরকত), ভাড়া (ইজারা) এবং বিক্রয় (বাই বা মালিকানা হস্তান্তরের ত্রিবিধ পদ্ধতির সমন্বয় রয়েছে। এই পদ্ধতির নাম পরিচিতি “Hire Purchase Under Shirkatul Milk (HPSM)” ই একটি অর্ন্তভূক্তিমূলক ধারণা অবতারণা করে। এই পদ্ধতির প্রথম ধাপে মুশারাকা পদ্ধতির আওতায় ব্যাংক-গ্রাহক পূজিঁ সমন্বয়ে কোন স্থাবর সম্পদ ক্রয় বা তৈরী করে উভয়ে পূঁজি আনুপাতিক মালিকানা অর্জন করে। দ্বিতীয় ধাপে ইজারা পদ্ধতির আওতায় ব্যাংক তার মালিকানার অংশ গ্রাহকের নিকট ভাড়া প্রদান করে। তৃতীয় ধাপে বাই পদ্ধতির প্রয়োগ হয়। এ ধাপে গ্রাহক প্রতি মাসে মূল টাকার একটি অংশ এবং ব্যাংক মালিকানার ভাড়া পরিশোধ করে। মাসিক দেয় মূল টাকায় ব্যাংকের মালিকানার অংশ ধীরে ধীরে গ্রাহকের অনুকুলে চলে যায়। এক পর্যায়ে মূল টাকা পরিশোধের সাথে সাথে গ্রাহক সম্পদটি গ্রাহকের সম্পূর্ণ একক মালিকানায় চলে যায়। সাধারণত: বাণিজ্যিক বা আবাসিক বাড়ি নির্মাণ/ক্রয়, শিল্পের মূলধন যন্ত্রপাতি আমদানী/ক্রয় এবং পরিবহন যান ক্রয়/আমাদনিতে এই পদ্ধতির ব্যবহার করা হয়।

ব্যবসার ঝুঁকি এবং ব্যাংক প্রসঙ্গ: ব্যবসা মাত্রই ঝুঁকি আছে। সে হিসাবে বিনিয়োগ গ্রহীতার লাভ যেমন হয় আবার লোকসানও হয়। অথচ ইসলামী ব্যাংক সমূহ কোন লোকসানের দায়ভার নেয় না মর্মে অনেকে অভিযোগ করে থাকেন। উপরের আলোচনার প্রতি ভালো করে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় যে, ব্যবসার ঝুঁকি এবং তা বহনের স্বরূপ নানা রকম হয়ে থাকে। যেমন: মুদারাবার ক্ষেত্রে পূঁজি সরবরাহকারী (সাহিবুল মাল) এককভাবে এবং মুশারাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ যৌথভাবে লোকসানের দায় গ্রহণে বাধ্য। তবে বাই বা ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি ভিন্ন। কোন পণ্য সম্মত মূল্যে গ্রহণ করার পর তার নগদে কিংবা বাকিতে হোক না কেন এর ঝুঁকি ফ্যাক্টর ক্রেতার দিকে চলে যায়। কারণ বিক্রয়োত্তর বাজার উত্থানের সুফল (লাভ) যেমন তিনি নিবেন তেমনি পতনের ফলে লোকসানের দায়টাও তাকেই গ্রহণ করতে হয়। ব্যাংকও মালামাল ক্রয়ের সাথে সাথেই গ্রাহকের নিকট হস্তান্তর করে দেয়। সেক্ষেত্রেও মালামাল সংরক্ষণ এবং বাজার পরিস্থিতির সুফল/কুফলের ভাগিদার হয় গ্রাহক একক ভাবে। এখানে বিক্রেতা হিসেবে ব্যাংক সম্পূর্ণ দায়মুক্ত থাকে। আমাদের সামাজিক জীবনে এমন ক্রয় বিক্রয় বিনা প্রশ্নেই করে থাকি। বাকিতে বিক্রীত কোন পন্য ক্রেতার অধিকারে চলে যাবার পর তা বাজার দর পড়ে গেলে, বিনষ্ট হলে কিংবা হারিয়ে গেলে তার দায় বিক্রেতার উপর বর্তানোর কোন সঙ্গত কারণ নেই।

মোট কথা ব্যাংকিং এ শরীয়ার ধারণা এখন বিশ্বব্যাপী গবেষণা এবং সমাদরের বিষয়। কারণ বিষয়টি ইতমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে প্রথাগত ব্যাংকিয়ের শুভঙ্করের ফাঁকির ফলেই ঘুরে ফিরে মন্দার কবলে পড়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি। এরই মধ্যে এটিও প্রমাণিত হয়েছে যে, পণ্য/সম্পদ ভিত্তিক যথাযথ লেনদেনের ফলে অর্থনৈতিক মন্দার সুনামিতেও ইসলামী শরীয়া ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সগৌরবে মাথা উঁচু রেখে তাদের অনুসৃত নীতি এবং পদ্ধতির শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিচ্ছে বারবার।

লেখক: মো: মোসলেহ উদ্দিন
এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
ভৈরব শাখা, কিশোরগঞ্জ।

Leave a Reply