তথ্য-প্রযুক্তির উত্থান: সমকালীন প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য ব্যাংকিং পরিষেবার বহুমুখিতার প্রবণতা

4

সাংখ্যিক বিজ্ঞান তথা পরিসংখ্যানের মূল ভিত্তিই হচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রবনতা বা বিস্তার পরিমাপের সাহায্যে কেন্দ্র দিকমুখীতা বা বিস্তার নির্ণয়। করোনাকালীন সময়ে সর্বত্রই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) নির্দেশিত ও সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত নির্দিষ্ট তিন ফুট বা তদুধ্ব দূরত্বের গোলাকার কিংবা চৌকো কোনাকার চিহ্ন শুধু রাস্তায়, দোকানে, ঔষধালয়ে, হাসপাতালে, গাড়িতে, ব্যাংকেই না, মানুষের মনেও নিগূঢ়ভাবে দাগ কেটেছে। এই দাগকেই উপজীব্য করে, দূরত্বকেই মূল ভিত্তি ধরেই, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় ক্রমশঃই অভ্যস্থ হয়ে উঠার প্রচেষ্টায় সকলে একাট্টা হচ্ছি জীবন-জীবিকার তাগিদে। এহেন প্রতিকূল পরিস্থিতি; অনেকেরই জীবনে শুধুই প্রথম নয় হলফ করে বলা যায় বিরলও বটে। এমনকি, আমাদের ‘বাংলাদেশীদের’ সর্বোচ্চ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের সময়ের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের থেকেও ভিন্নতর; কারণ বর্তমানে শত্রু হচ্ছে অদৃশ্য ও ছোঁয়াচে কিন্তু অতীতের শত্রুরা ছিল দৃশ্যমান ও রণ-সজ্জায় সজ্জিত।

অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে চালিকা শক্তির প্রাণ পুরোধাই হচ্ছে ব্যাংক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যা বিশ্বের প্রত্যেক দেশের মতোই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এবং “দায়ের শেষ ভরসা” (Lenders of the last resort) হিসেবে বিবেচিত। শুধুই ব্যাংকগুলোর কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ-মূল্যায়ন এবং দেশের মুদ্রাস্ফীতিতে সরাসরি প্রভাব বিস্তার ব্যাতিরেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলীর মধ্যে ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিধি বা নীতি প্রণয়ন ও তা’ বাস্তবায়নের ভূমিকা দেশের আর্থ-সামাজিক জীবন মানের উন্নয়নে প্রশংসার্য। এমনই এক সুদূর প্রসারী নীতি হচ্ছে; ই-কেওয়াসি নীতি প্রণয়ন যা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার নতুন দ্বার উন্মোচক হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

ঢাকার বনশ্রীর চল্লিশোর্ধ্ব বয়সী সোহাগের পিতা যিনি একজন দেশের জ্যেষ্ঠ নাগরিক আদেশ করছেন তার ছেলেকে “হ্যারে, তোদের নাকি ‘বিকাশ’ নামে কি একটা ‘এ্যাপ’ আছে, যা দিয়ে বিভিন্ন বিল ঘরে বসেই দেয়া যায়; এই করোনার সময়ে আমি আর ব্যাংকে যাব না, বিলগুলো ‘বিকাশ এ্যাপ’ এর মাধ্যমে দিয়ে দে তো। আর গ্রামের থেকে ধান বেচার টাকাও আসবে, দেখ তো নেওয়া যায় কিনা তোর এই বিকাশ এ্যাপে।” পঞ্চগড়ের ষষ্ট শ্রেণীতে পড়ুয়া কিশোরী সোহাগী তার মা রাশেদাকে আবদারের সুরে বলছে, “মা, আমাগো উপবৃত্তির টাকা ‘শিওরক্যাশে’ ঈদের আগেই দিয়া দিবো, আমারে কিন্তুক একটা জ্যামিতি বক্স ও ‘তথ্য-প্রযুক্তি’র বই কিনতে হইবো, টিভিতে স্যার কি বলে ঠিক বুঝি না। দত্তপাড়ার মেরী ম্যাডামেও বইটা কিনতে কইছে। মা, তুমি কিন্তুক মানা করতে পারবা না, হু…।”

উপরোল্লিখিত ঘটনা দু’টো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা প্রবাহ নয়, বর্তমানে এই ধরনের আর্থিক পরিষেবার চর্চা আলোচিত বিস্তারে বা সমাজিক দূরত্বের আবহে আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ও সর্ববয়সীদের মধ্যেও প্রভাবিত হচ্ছে। ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’র প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় এই বিশেষ অর্থ প্রেরণ ও গ্রহণ আরও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, স্থান-কাল-পাত্র-কৌলিন্য-সৌম্য নির্বিশেষে। ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক’ও সময় সময় প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতে লেনদেনের সীমার পরিমাণ যুক্তি সঙ্গতার নিরিখে হ্রাস-বৃদ্ধি করছে, যাতে বিশেষ শ্রেণীর ভোক্তাগণকে মূল ব্যাংকির ধারার বলয়ে আবৃত করা যায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি হিসেবে। ব্যাংকগুলোর বিকল্প পরিষেবাসমূহের (Alternative Delivery Channel) মধ্যে ‘ডেবিট’ ও ‘ক্রেডিট’ কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকের কেনাকাটা, বিল পরিশোধ, খাওয়া-দাওয়ার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিশেষ বিশেষ সময়ে বা উৎসবের প্রাক্কালে মূল্যহ্রাস বা ছাড়ের ছড়াছড়িতে ভোক্তাকূলেরা মোটামুটি অভ্যস্থ, এক্ষেত্রে ব্যক্তি কেন্দ্রিক ভোক্তা সেবায় প্রাধান্যপুষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিষেবা সত্যিই নতুন ধারার প্রবর্তক।

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ (A Platform for Bankers Community) প্রিয় পাঠকঃ ব্যাংকিং বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ এ লাইক দিন এবং ফেসবুক গ্রুপ ব্যাংকিং ফর অল এ জয়েন করে আমাদের সাথেই থাকুন।

আপতকালীন সময়ের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাবে, প্রযুক্তি নির্ভর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিভিন্ন অন্তর্জাল নির্ভর সেবার পরিধি ও ব্যাপ্তির প্রসার, বর্তমানে চোখে পড়ার মত। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকও তাদের চেক বিহীন অয়্যার ট্রান্সফারে অর্থ স্থানান্তরের ইএফটিএন (EFTN) এর দু’টো সেশন এবং আরটিজিএস (RTGS) এর পাঁচটি মুদ্রার লেনদেন ছাড়াও ভবিষ্যতের লেনদেনাদেশ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার উদ্দ্যেশ্যেই ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের ব্যবস্থার এক বাস্তব ও যুগপোযোগী সিদ্ধান্তের পরিচায়ক, যা ব্যাংকগুলোকে আরও বেশি প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন নিষ্পত্তিকল্পে এনপিএসবি’র (NPSB) সদস্য হতে প্রেষণা দিচ্ছে।

এতদবিষয়ে বিভিন্ন দেশীয় প্রতিথযশা পত্রিকা, অন্তর্জালের পত্রিকা (Online News Portal), বা ব্লমবার্গ’র (Bloomberg) প্রযুক্তি পরিষেবা ব্যবহারকারীদের রেখ-চিত্রের উল্লম্ফণ আরও নতুন ভোক্তাগণদেরকে আকৃষ্ট করতঃ যা স্বল্প/বিনে প্রচারে সেবা গ্রহণেচ্ছু নতুন গ্রাহককে উদ্বুদ্ধ করেছে। এই ধরণের পরিষেবাসমূহের তথ্য উপাত্তের বিশ্লেষণের (Data Analytics) বা আরও উচ্চ পর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে যন্ত্র পরিশ্রুত (Machine Learning) এর সহায়তা নেয়া হলে, বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। যেহেতু আমরা বাংলাদেশে স্পর্শকাতর/প্রত্যুৎপন্নমতি মুঠোফোন (SMART phone) ব্যবহারকারী হিসেবে পূর্বের সকল রেকর্ড ডিঙ্গিয়ে নতুন উচ্চতায় (Mobile Penetration) যাওয়ার আগ্রাসী মনোভাবে মত্ত; তাই মুঠোফোনের ক্লাউড (Cloud) সেবা বা মুখ চিহ্নিতকরণের (Face Recognition) ইত্যাদি বিষয়ে কিছুটা হলেও প্রযুক্তি ধারণাসম্পন্ন। যাহা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের বিগ ডেইটা (Big Data) প্রস্তুতের চারণক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-কেওয়াইসি’র নীতি ৮ই জানুয়ারি, ২০২০ অতীব দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নতুন যুগে আর্থিক ব্যবস্থাপনার এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে ব্যাংকিং খাতে বিবেচিত হবে। এখানে বর্ণিত প্রযুক্তির সহায়তায় আর্থিক পরিষেবার বিভিন্ন মাধ্যম সম্পর্কে সু-স্পষ্ট ধারণা দিয়ে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন যা ইত্যবসরে কিছু কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাস্তবে রূপ দিয়ে নতুন গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে ফিনটেক (FinTech) বা অর্থ-প্রযুক্তি অত্যন্ত চর্চিত বা উচ্চারিত বিষয়, বিশেষ করে বিভিন্ন লেনদেনের দ্বার (Payment Gateway) সংযোজন বা একীভূতকরণ ব্যাংকগুলোকে আরও স্পল্প সময়ে, সঠিক প্রযুক্তিতে, উচ্চ জবাবদিহিমূলকভাবে, সর্বাধিক সংখ্যক গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা যায়; অপেক্ষাকৃত হ্রাসকৃত খরচ-মানবসম্পদ (Cost-Human Resource) ব্যবহার করে।

বর্তমানে আমাদের দেশে বিশ্বে পরিচিত ফিনটেক’র (FinTech) কিছু পরিষেবা পাওয়ার ব্যাপারে আরও কিছুদিন হয়ত অপেক্ষা করতে হবে কারণ এখনই ঐ সকল সেবা বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদিত মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত নয় তন্মধ্যে বিট কয়েন (Bitcoin), ক্রিপ্টো কারেন্সি (Cryptocurrency) অন্যতম। তাছাড়া, ডেইটা মাইনারের (Data Miner) অপ্রতুলতাও অন্যতম কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। তবে এই সকল সময়োপযোগী বিষয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাপক আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে যা সত্যিকার অর্থেই আশা-জাগানিয়া।

অর্থ-প্রযুক্তির এক অনন্য পরিষেবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (Mobile Financial Service) বা এমএফএস (MFS) ব্যাংকিং আর্থিক সেবা ব্যবস্থার এক নতুন দিগন্ত বা চিন্তার খোরাক যুগিয়েছে। যা মাত্র সাত বছরেই গ্রাহক সংখ্যা ও সেবার বহুমুখিতায় বাড়ছে জ্যামিতিক হারেই; পরিষেবাটির নতুনত্ব ও সহজীকরণের জন্য। এখনতো কিউআর কোড (QRCode) ব্যবহার করেই ছবির মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত সহজেই লেনদেন করা যায়, এটাই হচ্ছে প্রযুক্তি ব্যবহারের বেগময়তা ও সঠিকতার সম্মিলন। ফলশ্রুতিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো খুব সহজেই গ্রাহককূলের লেনদেনের ধারা, ইতিহাস, পছন্দের বিগ ডেইটা (Big Data) বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট গ্রাহক-শ্রেণী-বয়স ভিত্তিক নতুন অভিনব সেবাপণ্যের বিপণনের দ্বার হয়ত অচিরেই যন্ত্র পরিশ্রুততার (Machine Learning) সহায়তায় আত্মপ্রকাশে সচেষ্ট হবে। সম্পূরকভাবে, টেকফিন (TechFin) নামে আরেকটি বিষয়ে বৈশ্বিক আর্থিক অঙ্গনে সমহারে আলোচিত ইস্যু এবং আর্থিক খাতের জন্য ঝুঁকিও বটে, যেখানে ফেইসবুক (Facebook), গুগল (Google), হোয়াটস এ্যাপস (WhatsApp), আলিবাবা (Alibaba) ইত্যাদি মহিরূহসম প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সেবা দিতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা ও পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে তাদের চিহ্নিত দেশে ও মুদ্রায় যথাক্রমে লিব্রা, গুগল পে, হোয়াটস এ্যাপ পে, আলি পে ইত্যাদির মাধ্যমে। এক্ষেত্রে তাদের সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে তাদের গ্রাহকগণের তথ্য, জীবন-বৃত্তান্ত, ভালো-লাগা, মন্দ-লাগা ইত্যাদির বিশাল তথ্য ভান্ডার যা সত্যিই সমুদ্রসম তথ্য উপাত্তের সম্ভার।

প্রযুক্তি নির্ভর আর্থিক পরিষেবায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ বাঞ্চনীয়, যাতে করে অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত প্রতিকূলতা বা প্রতিবন্ধকতা যথাসম্ভব এড়ানো সম্ভবপর হয়। এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত চৌকস মানব সম্পদের সহায়তা নিতে হবে যাদের সম্যক বিষয়ের বাস্তব জ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব হিসেবে চিহ্নিত ও পরিগনিত। এমতাবস্থায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় “অল্প তেলে মুচমুচে ভাজার” মানসিকতা অবশ্যই পরিহার করতে হবে যাতে করে প্রযুক্তি অবকাঠামো থেকে ব্যবহৃত যন্ত্রে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। অন্যথায় অন্তর্জালের চৌর্যবৃত্তির প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রতিষ্ঠানের অর্জিত সুনামের সাথে সাথে আর্থিক ক্ষতির মাত্রাও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক; সম্ভাবনা তত্ত্ব (Probability Theory) ও ঝুঁকি নিরূপণ (Risk Calculation) সুত্রানুসারে অংক কষে নিশ্চিত করে বলা যায় ক্ষতির প্রভাব প্রায় ৯০% এর উপরে। দেশের প্রথিতযশা প্রযুক্তি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিক পর্যায়ে উক্ত বিষয়ে সহায়তা প্রদানে সচেষ্ট মানব সম্পদেরা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সনদ অর্জন করতঃ সেবাদানে প্রস্তুত ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে, উনারা এহেন উদ্ভূত পরিস্থিতির হ্রাসকল্পে সর্বদা গবেষণারত ও ওয়াকিবহাল।

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবাদানে বা সেবাগ্রহণের সর্বাপেক্ষা অত্যাবশ্যকীয় জরুরী হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি পরিচিতি ও ব্যবহারিক জ্ঞান; যাতে করে আপতকালীন সময়ে প্রত্যুৎপন্নমতি আচরণে ক্ষতির বিস্তার বা প্রভাব ঠেকানো যায়। এক্ষেত্রে ব্যাংকারদেরকে প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে, তা প্রযুক্তি বিপর্যয় রোধে সক্ষমতা অর্জন করা এখন আর বাহুল্যতা নয় বরং অত্যাবশ্যকীয় এবং তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার অন্যতম ‘হাতিয়ার’। পরিশেষে বলতে চাই এই লকডাউন এ (Lockdown) বা ওয়ার্ক এট হোম (#workathome) এ প্রযুক্তিভিত্তিক নিজস্ব জ্ঞানের ‘কুড়ালে’ আরেকটু ‘শান’ দিয়ে সক্ষমতা অর্জনে সচেষ্ট হলেই ডিজিটাল বাংলাদেশের মতো “ডিজিটাল ব্যাংকিং” এ রূপান্তর কল্প কথা নয়, বাস্তবেই সম্ভব।

লেখকঃ ম. রাশেদুল হাসান খান
এমআইটি, এমবিএ (ব্যাংকিং), এমএসসি (পরিসংখ্যান)
এসপিও, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেড
মতিঝিল শাখা, ঢাকা

4 মন্তব্যসমূহ

  1. সমসাময়িক বিষয়ে তথ্য বহুল সমৃদ্ধ শব্দ ভান্ডারের অসাধারণ লেখা। আপনার নিয়মিত লেখা চাই। শুভ কামনা রইলো।

  2. আধুনিক ও সময়োপযোগী চিন্তাধারা কিন্তু শব্দ চয়নে আরেকটু আধুনিকতা আশা করবো… দৃষ্টতা মার্জণীয়….

Leave a Reply