ব্যাংকিং পেশার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য

0

ব্যাংকিং পেশার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য … যারা ব্যাংক জব করতে আগ্রহী তারা পড়ে দেখতে পারেন কাজে লাগবে …। মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে দেশে বাণিজ্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গড়ে উঠছে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যাংকব্যবস্থা।’ আজকাল ব্যাংকিং পেশা হিসেবে অনেকটাই বিশেষায়িত হয়ে উঠেছে, অন্য যেকোনো ধরনের পেশা থেকে ব্যাংকিং পেশার সুযোগ-সুবিধা একটু বেশি।

দেশের তরুণ প্রজন্ম, যাঁরা এখন চাকরির বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অথবা সবেমাত্র চাকরিতে ঢুকেছেন, তাঁদের কাছে ব্যাংকের চাকরি এখন অনেক বেশি আকর্ষণীয়। আকর্ষণীয় বেতন, সামাজিক সম্মান, ক্যারিয়ারে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সব সুযোগ- এই সবকিছু যে গুটিকয় পেশায় মেলে, ব্যাংকিং তার মধ্যে একটি।

ব্যাংকিং পেশা হিসেবে কেমন?
সার্বিক মূল্যায়নে ব্যাংকিং পেশা একটি চমত্কার পেশা। এ পেশায় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি নিজেদের জীবনযাত্রার মান, সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। এসব কারণে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার ‌এখন অনেক মেধাবীর স্বপ্ন। তবে সেই স্বপ্ন পূরণে দরকার প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তুতি ও চেষ্টা। বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন পদে, বিভিন্ন পেশার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তাই এই খাতে ভবিষ্যৎ জীবন গড়া অতি সহজ। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন পদে, বিভিন্ন পেশার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকলে ব্যাংকে চাকরির জন্য আবেদন করা যায়।

সরকারি ও বেসরকারি মিলে বাংলাদেশে এখন মোট ব্যাংকের সংখ্যা ৬৫টি। তার মধ্যে চারটি ব্যাংক সরকারি। বাকি ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে বেসরকারি ৪৮টি, বিশেষায়িত চারটি ও বিদেশি নয়টি। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সংখ্যা ও শাখা, কার্যক্রম বৃদ্ধি, উন্নত গ্রাহকসেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছে বলে এখানে ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নাজিমউদ্দৌলা জানান, ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যাংকিং পেশা চমত্কার। একজন মেধাবী ব্যাংকার অতি অল্প সময়ে আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। এ ছাড়া চাকরির নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা তো আছেই। ‌

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ (A Platform for Bankers Community) প্রিয় পাঠকঃ ব্যাংকিং বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ এ লাইক দিন এবং ফেসবুক গ্রুপ ব্যাংকিং ফর অল এ জয়েন করে আমাদের সাথেই থাকুন।

কাজের ক্ষেত্রগুলো, যোগদান ও পদোন্নতি, বেতন-ভাতাদি
‘ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি আধুনিক ধারার ব্যাংকে সাধারণত বিনিয়োগ, করপোরেট ব্যাংকিং, প্রশাসন ও তদারকি, বিপণন জনসংযোগ ইত্যাদি বিভাগ থাকে। বিভাগ পরিচালনার জন্য থাকেন একজন বিভাগীয় প্রধান। কার্যক্রমের সঙ্গে বিভাগের কাজ যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে লোকের চাহিদাও। ব্যাংকগুলো প্রথম সারির কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য সাধারণত-
– ব্যবস্থাপনা শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা (এমটিও)
– প্রিঞ্চিপাল অফিসার (পিও),
– শিক্ষানবিশ জ্যেষ্ঠকর্মকর্তা (টিএসও) বা ট্রেইনি অফিসার (টিও) পদে আবেদন আহ্বান করা হয়। তবে কোনো কোনো ব্যাংক আবার জুনিয়র অফিসার, অফিসার ইত্যাদি পদে নিয়োগ প্রদান করে থাকে।

শিক্ষানবিশকাল শেষে এমটিওকে ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার, পিওকে এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং টিএসওকে সিনিয়র অফিসার এবং টিওকে অফিসার হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতার বলে একজন প্রথম সারির কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে এভিপি, ভিপি, এসভিপি হয়ে পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে তিনি উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) এমনকি ব্যবস্থাপনা ‌পরিচালক (এমডি) পর্যন্ত হতে পারেন।

নির্দিষ্ট মেয়াদ পেরোলে কর্মকর্তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরির মেয়াদ, পেশাগত দক্ষতা, ব্যাংকিং জ্ঞান বিবেচনা করে পদোন্নতি দেওয়া হয়। বেসরকারি ব্যাংকগুলো তাদের কর্মকর্তাদের চাকরি শুরুর দিকে ১২ হাজার থেকে ১৮ হাজারটাকা বেতন দিয়ে থাকে। জ্যেষ্ঠ নির্বাহী স্তরে অর্থাৎ অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরদের বেতনক্রম প্রায় ৬০ হাজার থেকে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টাকা হয়ে থাকে।

নিয়োগ-প্রক্রিয়া ও পরীক্ষা পদ্ধতি
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্ট কমিটি। এ ছাড়া অন্য ব্যাংকগুলো যাবতীয় নিয়োগ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত হয়। শিক্ষানবিশ কর্মী নিয়োগের জন্য পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে ব্যাংকগুলো। অপরদিকে অভিজ্ঞ, দক্ষ কর্মী নিয়োগের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে সিভি সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে বিভিন্ন পদে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

ব্যাংকিং খাতে ভালো ফলাফলের গুরুত্ব অনেক বেশি। স্নাতক করার পর আপনি যেকোনো ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। তবে বিভিন্ন ধরনের‘সফট স্কিল’ থাকতে হবে। কারণ ব্যাংকের চাকরির পূর্বশর্তগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আনুগত্য, নৈতিকতা, সামাজিকতা ও মানুষের সঙ্গে মেলামেশার ক্ষমতা অন্যতম। এ ছাড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ইংরেজি, যোগাযোগ দক্ষতা অবশ্যই ভালো থাকতে হবে। ব্যাংকে চাকরি পেতে হলে প্রথমে লিখিত পরীক্ষা এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানভেদে দুই থেকে তিনটি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়ে থাকে। শিক্ষানবিশ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক দুই ধরনের পরীক্ষা হয়। লিখিত পরীক্ষায় নির্বাচিত প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কিছুটা ভিন্নতা আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বাংলায় বা ইংরেজিতেও হতে পারে। পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, মানসিক যুক্তি প্রভৃতি বিষয় থেকে প্রশ্ন হয়। পরীক্ষা শুধু মাল্টিপল চয়েজ কোশ্চেন (এমসিকিউ) অথবা এমসিকিউ এবং সহজ রচনামূলক প্রশ্ন মিলেও হতে পারে। নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য আপনি বিভিন্ন ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেখে নিতে পারেন।

পড়াশোনা ও যোগ্যতা
ব্যাংকগুলো বর্তমানে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেয়। সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা হিসেবে এমবিএ, এমবিএম, বাণিজ্যিক বিষয়ে স্নাতকোত্তর, অর্থনীতি, ইংরেজি, পরিসংখ্যান বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। সাধারণত ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে আগ্রহীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা দ্বিতীয় শ্রেণী চাওয়া হয়। আবার কিছু ব্যাংকে সব পর্যায়েই প্রথম শ্রেণী চায়। এ ছাড়া ইংরেজিতে দক্ষতা ও কম্পিউটার জানা থাকতে হবে। ‌

অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের আবেদন চাওয়া হলে স্নাতক ডিগ্রিধারীরাও অনেক ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারেন। যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকলে ব্যাংকে চাকরির জন্য আবেদন করা যায়। স্নাতক করার পর আপনি যেকোনো ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। তবে বিভিন্ন ধরনের ‘সফট স্কিল’ থাকতে হবে। কারণ ব্যাংকের চাকরির পূর্বশর্তগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আনুগত্য, নৈতিকতা, সামাজিকতা ও মানুষের সঙ্গে মেলামেশার ক্ষমতা অন্যতম। এ ছাড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ইংরেজি, যোগাযোগ দক্ষতা অবশ্যই ভালো থাকতে হবে। ব্যাংকে চাকরি পেতে হলে প্রথমে লিখিত পরীক্ষা এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানভেদে দুই থেকেতিনটি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়ে থাকে। নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য আপনি বিভিন্ন ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রদেখে নিতে পারেন।

স্নাতকোত্তরের পাশাপাশি এমবিএ কোর্স এবং পরবর্তী সময়ে সিএ কোর্স করতে পারলে তা ভবিষ্যতেঅনেক কাজে লাগবে। বর্তমান সময়ে এমবিএ অনেক পেশারই উৎকর্ষ বিকাশের জন্য একটি চাহিদাসম্পন্ন প্রফেশনাল ডিগ্রি। ব্যাংকিং পেশায়ও এর অনেক গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিটি পর্ব ভালোভাবে পাস করতে পারলে সিএ-জাতীয় কোর্স শেষ করতেসাড়ে তিন বছর সময় লাগবে। ব্যাংকে চাকরির জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান বা বিষয় জরুরি নয়। আপনি যে বিষয়ে যে কোর্সই করুন না কেন, ওই বিষয়ের প্রতি আপনাকে অবশ্যই পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে এবং ভালো ফল নিয়ে পাস করতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজির দক্ষতা বাড়াতে হবে। এভাবে নিজেকে যোগ্যতাসম্পন্ন করে তুললে সহজে ব্যাংকিং খাতে ভবিষ্যৎ জীবন গড়া সম্ভব হবে।

প্রতিবছরেই বাজার চাহিদার কারণে ব্যাংকগুলো তাদের শাখা বিস্তৃত করে যাচ্ছে। ফলে দরকার হচ্ছে দক্ষ জনবলের। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সংখ্যা ও শাখা, কার্যক্রম বৃদ্ধি, উন্নত গ্রাহকসেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছে বলে এখানে ক্যারিয়ার গড়ার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিবছরই ব্যাংকগুলোতে লোক নেওয়া হচ্ছে প্রচুরসংখ্যক। আর এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে তরুণদের। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক এম এ হাশেম বলেন, ‘দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দরকার অনেক বেশি দক্ষ জনবলের। ব্যাংকগুলোতে তরুণেরা যোগ দিতে আগ্রহী। কারণ, সুন্দর কাজ করার পরিবেশ, সুন্দর ভবিষ্যৎ ও মেধার মূল্যায়ন।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন মেধাবী ব্যাংকার অতি অল্প সময়ে আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। আমাদের দেশে অন্য যেকোনো পেশার চেয়ে ব্যাংকিং পেশায় চাকরির নিরাপত্তা অনেক বেশি। সাধারণত ব্যয় সংকোচনের জন্য ওই ধরনের কর্মী ছাঁটাই দেখা যায় না ব্যাংকিং সেক্টরে।’ শুধু যে চাকরির নিরাপত্তা তাই-ই নয়, এ ক্ষেত্রে তরুণদের জন্য যত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, তা তাদের এ পেশায় আসতে অনুপ্রাণিত করছে। এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আদিত্য নারায়ণ সিংদেও জানালেন, ‘নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো তরুণদের অগ্রাধিকার দেয় বেশি।

কারণ, তাঁরা কাজ শিখতে পারেন অল্প সময়েই। আর তরুণদের কাছ থেকেই মূলত আসে ব্যতিক্রমী সব ধারণা। তাই আগামী দিনগুলোতেও ব্যাংকে তরুণদের চাহিদা বাড়তেই থাকবে বলে মনে করি। আমরা নিয়োগের সময় একাডেমিক ফলাফলের বাইরে শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমের দিকেও গুরুত্ব দিই। কারণ, একটা মানুষের সুষ্ঠু বিকাশে এটার দরকার রয়েছে।’

সার্বিক মূল্যায়নে বুঝতেই পারছেন, ব্যাংকিং পেশায় রয়েছে অপার সম্ভাবনা। একজন ভালো ব্যাংকার একই সঙ্গে কাজের সুন্দর পরিবেশ, সামাজিক মর্যাদা, কর্মক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ও নিশ্চিত জীবন পেয়ে থাকেন। তাই চোখ বন্ধ করে এই চমৎকার জীবন বেছে নিতে পারেন আপনিও। একটু কষ্ট সহ্য করে, কঠোর অধ্যবসায় দিয়ে ছোট্ট একটা লাফ দিন ব্যাংকের দিকে, এরপরে আর ভাবতে হবে না কিছু, ব্যাংকই আপনাকে নিয়ে যাবে সাফল্যের শিখরে।

আরও দেখুন:
এক অদম্য ব্যাংকারের পথ চলা
একজন ব্যাংকারের স্যালারি কেন বেশি হওয়া উচিত!
এক অসহায় ব্যাংকারের আত্মসমর্পণ
ব্যাংকারদের পেশাজীবী সংগঠন প্রতিষ্ঠা এবং এর প্রাসঙ্গিকতা
ব্যাংকারদের দৈনন্দিন জীবন

Leave a Reply