করোনায় ব্যাংকারদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত বীমা সুবিধাটিতে ব্যাংকারদের অন্তর্ভুক্তকরণের আহবান

1

করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ ভাইরাস বর্তমানে সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও মহামারী আকারে ছড়িয়ে পরেছে। ইতোমধ্যে এই রোগে ১৭ জন মৃত্যুবরণ করেছে ও ১৬৪ জন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২ জন ব্যাংক কর্মকর্তাও রয়েছে। সরকার এ রোগের বিস্তার রোধে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে; যেমন, আগামী ১৩/০৪/২০২০ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এ অবস্থায় করোনা ভাইরাস মহামারী হতে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুরক্ষা প্রদানে সীমিত আকারে ব্যাংকিং চালু, উপযুক্ত স্বীকৃতি প্রদান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত বীমা সুবিধাটিতে ব্যাংক কর্মীদের অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ-বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের প্রাতিষ্ঠানিক শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানানো হয়েছে।

উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাধারণ ছুটির মধ্যেও অন্যান্য জরুরী সেবা খাতের ন্যায় সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা প্রদান করেছে। এ বিষয়ে উল্লেখ্য, অন্যান্য সেবা খাতের মত আমরা ব্যাংকারগণও যে কোন দূর্যোগ ও জরুরী প্রয়োজনে জনগণের সেবক হিসেবে সেবা প্রদান করে আসছি। তবে, অন্যান্য ক্ষেত্রে যে ধরণের ব্যাক্তিগত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা/ পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, ব্যাংকারদের ক্ষেত্রে তার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। ঘাটতি রয়েছে ব্যাংকারদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদানে। যা ব্যাংকারদের কিছুটা হলেও হতাশ করে।

উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে সার্কুলার করলেও ব্যাংকগুলোয় উপচে পরা ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ব্যাংকার ও ব্যাংকের গ্রাহক উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরুপ। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় নিয়োজিত সকলের জন্য বীমা সুবিধার কথা ঘোষণা করেছেন। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যে নির্ভীক ব্যাংকারগণ জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন তাদের বীমা সুবিধা প্রদান আজ সময়ের দাবী। এমতাবস্থায় নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড প্রাতিষ্ঠানিক শাখা নিম্নোক্ত দাবীসমূহ উত্থাপন করেছে-

১। শুধুমাত্র নগদ জমা ও উত্তোলনের জন্য সপ্তাহে ২ দিন সকাল ১০টা হতে ১২টা পর্যন্ত সীমিত সংখ্যক ব্রাঞ্চ খোলা রাখা;
২। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াত, স্বাস্থ্যসহ সকল প্রকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ;
৩। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বীমা সুবিধায় ব্যাংক কর্মীদের অন্তর্ভুক্তকরণ;
৪। ব্যাংক কর্মীদের ঝুঁকি ভাতা প্রদান;
৫। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ব্যাংকারদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিতকরণ।

১টি মন্তব্য

  1. গার্মেন্টস শ্রমিকরা কাজ না করে যদি ভাতা পেয়ে থাকে, ব্যাংকাররা কাজ করে কেন কিছুই পাবে পা।

Leave a Reply