এটিএম বুথে পর্যাপ্ত করোনা সচেতনতা নেই

0

সীমিত আকারে ব্যাংককিং চালু থাকলেও সার্বক্ষণিক এটিএম বুথ সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে ব্যাংকগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন উৎসাহিত করছে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এটিএম বুথ ও পয়েন্ট অব সেলসে (পস) লেনদেনের জন্য গ্রাহকদের পরামর্শ দিচ্ছে।

শাখায় না গিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেনের জন্য এসএমএস পাঠানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করতে এত আয়োজন থাকলেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার নেই সব এটিএম বুথে। আবার নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই অনেক এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন করছেন নিরাপত্তা প্রহরী।

রাজধানীর মতিঝিল, গুলিস্তান, মুগদা, মানিকনগরসহ অনেক এলাকায় খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের কিছু এটিএম বুথে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। অবশ্য অনেক বুথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার মিলেছে। সেখানকার নিরাপত্তারক্ষীরা হ্যান্ড গ্লাভস এবং মাস্ক পরিহিত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন। কেউ গেলে তারাই বুথের দরজা খুলে দিচ্ছেন।

কয়েকজন গ্রাহক জানান, করোনা সতর্কতার প্রথম দিকে এটিএম বুথগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বিষয়ে তোড়জোড় ছিল। এখন তার অনেকটাই শিথিল হয়ে গেছে। তারা এ বিষয়ে সতর্ক হতে ব্যাংকগুলোর প্রতি অনুরোধ জানান।

এটিএম বুথ সেবায় শীর্ষস্থানীয় একটি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো গাফিলতি নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রহরীরা হয়তো যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন না। এ বিষয়ে তদারকি বাড়াবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

করোনা ভাইরাসের এ সময়ে ব্যাংকিং লেনদেন সীমিত করা হয়েছে। গ্রাহকদের জরুরি ব্যাংকিং প্রয়োজন মেটানোর জন্য সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাচ্ছে। গ্রাহক শাখায় না গিয়ে এটিএম বুথ, পস, মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে যেন লেনদেন করেন সে জন্য উৎসাহিত করতে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সব এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে।

ব্যাংকগুলোর বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার এটিএম বুথ রয়েছে। আর সিডিএম ও সিআরএম আছে আরও এক হাজার ৬৬৬টি। এ ছাড়া কেনাকাটার বিল পরিশোধের জন্য সারাদেশে ৬০ হাজার ৪৭৪টি পয়েন্ট অব সেলস (পস) মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে শুধু ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বুথের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৬৩টি।

Leave a Reply