মনিটারি পলিসি বা মুদ্রানীতি কী?

0

মুদ্রানীতি বা আর্থিক নীতি, বিশেষ করে অর্থ সরবরাহ এবং সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ, গ্রহণ অর্থনৈতিক কার্যকলাপ প্রভাবিত করতে সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থা বোঝায়। অর্জন বা একটি নির্দিষ্ট নীতি লক্ষ্য বজায় রাখার জন্য- মুদ্রাস্ফীতি হিসাবে, পূর্ণ কর্মসংস্থান বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, খোলা বাজার কর্মসূচীর মাধ্যমে এবং সর্বনিম্ন ব্যাংক মজুদ (রিজার্ভ নূন্যতম) সেটিং। মানিটারি তত্ত্ব ও মুদ্রানীতি বা আর্থিক নীতি একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।

Monetary Policy (মুদ্রানীতি)
মূলত আর্থিক বা মুদ্রা বিষয় সংক্রান্ত নীতি। সাধারণ অর্থে, অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণের (বাড়ানো বা কমানো) জন্য সরকার এবং দেশের আর্থিক কর্তৃপক্ষ (বিশেষত কেন্দ্রীয় ব্যাংক) যে নীতিমালা গ্রহণ করে।

Wikipedia তে বলা হয়েছে-
Monetary policy is the process by which the monetary authority of a country, typically the central bank or currency board, controls either the cost of very short-term borrowing or the monetary base, often targeting an inflation rate or interest rate to ensure price stability and general trust in the currency.

যে নীতির সাহায্যে অর্থের যোগান, মুদ্রা ও ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অর্থ শুধু বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা পালন করে না। রবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। যেমন- অর্থের যোগান এবং ঋণের পরিমাণ বাড়ালে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। আর অর্থের যোগান এবং ঋণের পরিমাণ কমালে দেশে মন্দা, মুদ্রা সংকোচন ও বেকারত্ব দেখা দেয়। তাই অর্থের যোগান ও ঋণের পরিমাণকে একটি গ্রহণযোগ্য বা কাম্য পর্যায়ে রাখা দরকার। সুতরাং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকার ও আর্থিক কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে Monetary Policy বা মুদ্রানীতি বলা হয়। একে আর্থিক নীতিও বলা হয়।

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ (A Platform for Bankers Community) প্রিয় পাঠকঃ ব্যাংকিং বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ এ লাইক দিন এবং ফেসবুক গ্রুপ ব্যাংকিং ইনফরমেশন এ জয়েন করে আমাদের সাথেই থাকুন।

Monetary Policy (মুদ্রানীতি) এর প্রকারভেদ
নিম্নে Monetary Policy (মুদ্রানীতি) এর প্রকার সমূহ তুলে ধরা হলো-

১. সম্প্রসারণমূলক (Expansionary):
অর্থনীতিতে মন্দা বা বেকারত্ব দেখা দিলে তা নিরসনের লক্ষ্যে উৎপাদন, আয়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য।
২. সংকোচনমূলক (Contractionary):
অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করলে সরকার উৎপাদন, আয়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ হ্রাসের জন্য এই নীতি গ্রহন করে থাকে।
৩. নিরপেক্ষ (Indifference):
যে ধরনের আর্থিক নীতি গ্রহণ করলে দেশের আয়, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, মন্দা, বেকারত্ব ইত্যাদি উপাদানসমূহ প্রভাবিত হয় না তাকে নিরপেক্ষ বা Indifference বলে। প্রধানত উন্নত দেশসমূহ পূর্ণ নিয়োগ স্তরে তাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এই নীতি গ্রহন করে থাকে।

Leave a Reply