উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাইক্রো ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান (MFI) এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ

0
208

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ মাইক্রো ফাইন্যান্স এমন একটি কর্মসূচি যা স্বল্প আয়ের মহিলা ও পুরুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গৃহীত হয়। মাইক্রো ফাইন্যান্স (MF) বলতে বুঝায় স্বল্প আয়ের গ্রাহকদেরকে অর্থনৈতিক সেবা প্রদান করা যা আত্মকর্মসংস্থানে সহায়তা করে। অর্থনৈতিক সেবার মাধ্যমে সঞ্চয় গড়ে তোলা এবং ঋণ প্রদান অন্তর্ভুক্ত করা।

নিম্নে উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন হিসেবে Micro Finance Institution (MFI) বা মাইক্রো ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান সমূহের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ আলোকপাত করা হলো-
১. দারিদ্র দূরীকরণ;
২. কর্মসংস্থান সৃষ্টি;
৩. নারী ও অন্যান্য সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন;
৪. বিদ্যমান ব্যবসা-বাণিজ্যের বৃদ্ধি;
৫. নতুন নতুন ব্যবসা-বাণিজ্যের সৃষ্টি এবং উন্নয়নে উৎসাহ প্রদান;
৬. ক্ষুদ্র ব্যবসা-বাণিজ্য ও মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা;
৭. সুবিধা বঞ্চিত ও অধিকার হারা জনগোষ্ঠীর আয় ও উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা;
৮. গ্রামীণ অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কৃষি নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনা বিশেষ করে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রসারের মাধ্যমে বন্যা ও খরা কবলিত অঞ্চলের মানুষদের সুযোগ সৃষ্টি করা;
৯. অবহেলিত জনগণকে একটি সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা যাতে তারা বুঝতে পারে, নিজেদের পরিচালনা করতে পারে এবং পারস্পরিক সাহায্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক সুবিধা আদায়ের সুযোগ পেতে পারে;
১০. চিরাচরিত “স্বল্প আয়-স্বল্প সঞ্চয়, স্বল্প বিনিয়োগ-স্বল্প আয়” এ দুষ্টচক্রকে ঘুরিয়ে “স্বল্প আয়-ঋণ/বিনিয়োগ, বেশি আয়-বেশি বিনিয়োগ” আরও আয়ত্ত করা। অর্থাৎ রেগনার নাক্সের বর্ণিত দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে উত্তরণের প্রচেষ্টা চালানো; ও
১১. মহাজনদের শোষণ থেকে গরীব মানুষদের রক্ষা করা। আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে চড়া সুদে টাকা লগ্নি, ফসল অগ্রিম বিক্রি করা, বন্ধক প্রথা ইত্যাদি পর্যায়ক্রমে কমানো তথা চূড়ান্তভাবে বন্ধ করতে সাহায্য করা।

Leave a Reply