গাইডলাইন্স ফর কাস্টমার সার্ভিসেস এন্ড কমপ্লেইন্ট ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক নীতিমালা

0
581

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (২০১৩ পর্যনত্ম সংশোধিত) এর ৪৫(১) অনুচ্ছেদের আওতায় ১৩ জুলাই ২০১৪ তারিখের সার্কুলার নং-০১/২০১৪ এর মাধ্যমে জারিকৃত ‘গাইডলাইন্স ফর কাস্টমার সার্ভিসেস এন্ড কমপ্লেইন্ট ম্যানেজমেন্ট’ ২০১৪-এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। গ্রাহকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং ব্যাংকের দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উক্ত নীতিমালার অনুচ্ছেদ ২.০৯.০১-এ নিম্নবর্ণিত নির্দেশনাসমূহ সংযোজন ও তার যথাযথ পরিপালন নিশ্চিত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা যাচ্ছে:

১. যেসব মেয়াদি ঋণের সুদ হার (ইসলামী ব্যাংকের পরিভাষায় বিনিয়োগের ওপর মুনাফার হার) পরিবর্তনশীল সেক্ষেত্রে সুদ বা মুনাফার হার বৃদ্ধি করতে হলে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরে গ্রাহককে এক মাস সময় দিয়ে নোটিশ প্রদান করতে হবে। নোটিশের সাথে গ্রাহককে হালনাগাদ দায়সহ নতুন পরিশোধসূচি (Repayment Schedule) সরবরাহ করতে হবে এবং গ্রাহককে ই-মেইল অথবা পত্র দ্বারা নোটিশ প্রদান করতে হবে। মঞ্জুরীপত্রের শর্তাবলীতেও এ বিষয়টি অনত্মর্ভুক্ত করতে হবে। সুদ বা মুনাফার হার বৃদ্ধির কারণে গ্রাহক যদি এক মাসের মধ্যে ঋণ বা বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটাতে চান তবে ‘আর্লি সেটেলমেন্ট ফি’ বা অতিরিক্ত কোনো ফি আদায় ব্যতীত পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

২. চলতি ঋণ বা ডিমান্ড লোন (ইসলামী ব্যাংকের পরিভাষায় এরূপ বিনিয়োগ) এর ক্ষেত্রে কোনো ‘আর্লি সেটেলমেন্ট ফি’ আরোপ করা যাবে না।

৩. মেয়াদি ঋণের (ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে অনুরূপ বিনিয়োগের) কিস্তি পরিশোধে বিলম্বের জন্য বিলম্ব ফি/দন্ডসুদ/ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষেত্রে যেসব গ্রাহক প্রকৃতই অসুবিধায় আছেন তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্বীয় নীতিমালার আলোকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে এবং কোনো ভাবেই এ ধরণের বিলম্ব ফি/দন্ডসুদ/ক্ষতিপূরণ ঐ ঋণ বা বিনিয়োগের জন্য প্রযোজ্য সুদ/মুনাফার হার+ ২% এর অধিক হবে না।

এছাড়া, সম্প্রতি এমআইসিআর চেকের ক্ষেত্রে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঋণ বা বিনিয়োগের বিপরীতে ফাঁকা চেক জামানত হিসেবে গ্রহণ না করার জন্যও পরামর্শ প্রদান করা যাচ্ছে।

আপনাদের বিশ্বস্ত,
(মোঃ জুলকার নায়েন)
উপমহাব্যবস্থাপক
ফোনঃ ৯৫৩০১৩৭

Leave a Reply