ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মেধাবী সন্তানদের সম্বর্ধনা প্রদান

0
1108

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মেধাবী সন্তানদের সম্বর্ধনা প্রদান করল অফিসার কল্যাণ সমিতি। ইসলামী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ প্রাপ্ত সম্বর্ধনা প্রদান এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান গত ১২ অক্টোবর ২০১৮ শুক্রবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের ইউনুছ অডিটোরিয়োমে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ মাহবুব-উল-আলম প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মনিরুল মাওলা ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসনে আলম। সমিতির সভাপতি ও এসভিপি মোঃ আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আব্দুল জব্বার এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ উল্লাহ ও সমিতির সেক্রেটারী ও এসভিপি এ কে এম মাহবুব মোর্শেদ।

অনুষ্ঠানে নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ প্রাপ্ত ১০৫ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ক্রেষ্ট, উপহার চেক ও অভিনন্দনপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়াও নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তিনটি গ্রুপে তিনটি করে মোট নয়টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাদেরকে ক্রেষ্ট ও উপহার চেক প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথি তার ভাষণে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেশের ভভিষ্যৎ উল্লেখ করে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান। এজন্য কঠোর পরিশ্রম, অধ্যাবসায়ের পাশাপাশি দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিজেকে সঁপে দেয়ার আহবান জানান। তিনি উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে যোগ্যতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। এক্ষেত্রে তিনি সাম্প্রতিক বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন উল্লেখ করে বলেন, মানব সূচক উন্নয়নে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়েও এগিয়ে গিয়েছে। তিনি মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এ অগ্রগতি ধরে রাখতে এবং বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে নেতৃত্বের আসনে উন্নীত করার মত উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানান।

অন্যান্য বক্তারা পিতা-মাতার প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখার আহবান জানান এবং তাদের বৃদ্ধ বয়সে তাদের প্রতি যত্ন নেয়ার দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন এবং এ ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

Leave a Reply