অপ্রচলনযোগ্য, মিউটিলেটেড, দাবীযোগ্য ও পুনঃ প্রচলনযোগ্য নোটের বৈশিষ্ট্য সমূহ

0
1412

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ সাধারণত ছেড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোটকে চারভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা- পুনঃ প্রচলনযোগ্য, অপ্রচলনযোগ্য, দাবীযোগ্য এবং মিউটিলেটেড নোট। আর এই নোটগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

‘অপ্রচলনযোগ্য নোট’ এর বৈশিষ্ট্যঃ
নিম্নে ‘অপ্রচলনযোগ্য নোট’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরা হলো-
• অত্যধিক ময়লাযুক্ত নোট;
• নোটের উপর একাধিক সিল;
• কোন নোটের উপর দুইটির অধিক অনুস্বাক্ষর/স্বাক্ষর বা সংখ্যা;
• নোটের উপর অপ্রয়োজনীয় লেখা বা দাগ;
• নোটে মরিচার চিহ্ন; ও
• নোটে অল্প রং লাগানো (রং এর জন্য আসল নোটের বৈশিষ্ট্য যাচাই করতে কোন সমস্যা না হলে) ।

‘মিউটিলেটেড নোট’ এর বৈশিষ্ট্যঃ
নিম্নে ‘মিউটিলেটেড নোট’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরা হলো-
• টেপযুক্ত নোট;
• দুই খন্ডে খন্ডিত নোট; ও
• নোটের কোন অংশ অনুপস্থিত এবং অনুপস্থিতির পরিমাণ নোটের আয়তনের ১০% এর কম।

‘দাবীযোগ্য নোট’ এর বৈশিষ্ট্যঃ
নিম্নে ‘দাবীযোগ্য নোট’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরা হলো-
• দুই এর অধিক খন্ডে খন্ডিত নোট;
• নোটের কোন অংশ অনুপস্থিত এবং অনুপস্থিতির পরিমাণ নোটের আয়তনের ১০% এর বেশী;
• আগুনে পোড়া বা আগুনের আঁচ লাগানো নোট;
• ডাম্প নোট; ও
• নোটে বেশী রং লাগানো (রং এর জন্য আসল নোটের বৈশিষ্ট্য যাচাই করতে সমস্যা হলে)।

‘পুনঃ প্রচলনযোগ্য নোট’ এর বৈশিষ্ট্যঃ
নিম্নে ‘পুনঃ প্রচলনযোগ্য নোট’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরা হলো-
• অপ্রচলনযোগ্য, মিউটিলেটেড ও দাবীযোগ্য নোটগুলো ব্যতিত যে সকল নোট পুনরায় প্রচলনে দেয়ার মত পরিচ্ছন্ন সে সকল নোট পুনঃ প্রচলনযোগ্য নোট হিসেবে গণ্য হবে।

Leave a Reply