খুচরা ব্যাংকিং ও পাইকারী ব্যাংকিং এর মধ্যে পার্থক্য সমূহ

0
773

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ খুচরা ও পাইকারি ব্যাংকিং একে অপরের থেকে আলাদা আলাদা এবং সেই কারনেই খুচরো ব্যাংকিং ব্যবসায় এবং পাইকারি ব্যবসায়ের জন্য অনেক ব্যাংকে পৃথক শাখা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে খুচরা ব্যাংকিং ও পাইকারী ব্যাংকিং এর মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। নিম্নে খুচরা ও পাইকারী ব্যাংকিং এর মধ্যে পার্থক্য সমূহ আলোচনা করা হল-

১) সংজ্ঞাগত পার্থক্য
একক (Individual) ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের জন্য যে সকল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয় তাকে Retail Banking বা খুচরা ব্যাংকিং বলে।
অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং মার্চেন্ট ব্যাংক সমূহকে সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে বৃহত্তম ব্যাংক সমূহ যে সকল সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তাকে Wholesale Banking বা পাইকারী ব্যাংকিং বলে।

২) লেনদেনের ধরনগত পার্থক্য
খুচরা ব্যাংকিং সাধারনত ছোট ছোট আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করে থাকে।
অন্যদিকে পাইকারী ব্যাংকিং সাধারণত বৃহত্তর আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করে থাকে।

৩) গ্রাহকদের ধরণগত পার্থক্য
একক গ্রাহক ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানই খুচরা ব্যাংকিং এর প্রধান গ্রাহক।
অপরপক্ষে পাইকারী ব্যাংকিং সাধারণত বৃহত্তর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংক সমূহের মূল গ্রাহক।

৪) সেবাগত পার্থক্য
খুচরা ব্যাংকিং এর সেবা সমূহ হলো-
ক) সঞ্চয়ী হিসাব পরীক্ষণ;
খ) বন্ধকি সেবা প্রদান;
গ) ব্যক্তিগত ঋণ প্রদান;
ঘ ডেবিট কার্ড; ও
ঙ) ক্রেডিট কার্ড।
অন্যদিকে পাইকারী ব্যাংকিং এর সেবা সমূহ নিম্নরূপ-
ক) Cash Management (নগদান ব্যবস্থাপনা);
খ) Foreign Exchange (বৈদেশিক বিনিময়);
গ) Payments (পরিশোধ);
ঘ) Trusty (ট্রাস্টি);
ঙ) Custody (তত্ত্বাবধান ও জিম্মা);
চ) Commercial Lendings (বাণিজ্যিক ধার); ও
ছ) Trade Finance (বাণিজ্যিক অর্থায়ন)।

৫) উদ্দেশ্যগত পার্থক্য
গণ বাজারজাতকরণের আওতায় প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রাহকের জন্য সমন্বিত সেবা প্রদান করাই খুচরা ব্যাংকিং এর উদ্দেশ্য।
অপরদিকে প্রত্যেক বৃহদায়তন গ্রাহকের জন্য বিশেষায়িত সেবা প্রদান করাই পাইকারী ব্যাংকিং এর উদ্দেশ্য।

Leave a Reply