কমপ্লায়েন্স বিভাগে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে

0
478

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির ছোঁয়ার সবকিছুতে যেমন তেলেসমাতি বেড়েছে, একই সঙ্গে বেড়েছে জটিলতাও। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করা ও কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাও কম নয়। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ম-নীতি ও গোপনীয়তা রক্ষা এবং বাহ্যিক আইনি জটিলতা মোকাবিলা করতে গত এক দশকে বিশ্বে কমপ্লায়েন্স বিভাগের গুরুত্ব বেড়েছে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের বিশেষ রীতিনীতি ও পদ্ধতি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দেখভাল করাই হচ্ছে কমপ্লায়েন্স বিভাগের কাজ। প্রতিষ্ঠানের মূলধন থেকে শুরু করে করপোরেট প্রশাসনসহ প্রায় সবকিছুই কমপ্লায়েন্স বিভাগের নজরে থাকে। অনেক সময় প্রতিষ্ঠানকে বড় ঝুকি থেকে রক্ষা করে মুনাফা অর্জনে অবদান রাখে এই বিভাগ। ফলে, বহির্বিশ্বের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তাদের কদর বেশি।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের শেষে আমেরিকান ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের ২ লাখ ৪ হাজার কর্মীর মধ্যে ৩০ হাজার জন (১৫ শতাংশ) কমপ্লায়েন্স, ঝুঁকি ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে কর্মরত ছিলেন। ২০০৮ সালের শেষে যা ছিল ৪ শতাংশের সামান্য বেশি। ১০ বছরের ব্যবধানে এই খাতে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।

সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর চাকরির বাজারের অন্যতম আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই খাত। বিশ্বের নামকরা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাষ্য, মেধাবী আইনজীবী বা আইন বিষয়ে ভালো জানা শোনা ব্যক্তিরা এই খাতে সম্পৃক্ত হতে বেশি আগ্রহী।

২০১৮ সালে ৮০০ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি ও কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তারা বিশ্বব্যাপী গবেষণা করে দেখেন, পরবর্তী ১২ মাসের মধ্যে তাঁদের ক্ষেত্র ৪৩ শতাংশ বাড়তে পারে। ভবিষ্যৎ চাহিদার কথা বিবেচনা করে কমপ্লায়েন্স সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়াদির উপর দক্ষতা থাকলে আপনার কদর দিনকে দিন বেড়েই চলবে।

Leave a Reply