সিটি ব্যাংকের মুনাফায় ধস

0

মহামারি করোনাভাইরাসের ধাক্কায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের মুনাফায় ধস নেমেছে। এক ধাক্কায় চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ৭২ শতাংশ কমে গেছে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস বাংলাদেশে প্রথম আঘাত হানে গত ৮ মার্চ। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ফলে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক ছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সব থেকে খারাপ সময়। এ সময়ে প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে।

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ (Banking News Bangladesh. A Platform for Bankers Community.) প্রিয় পাঠকঃ ব্যাংকিং বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ এ লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

সাধারণ ছুটির মধ্যে সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা থাকলেও করোনার ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি কোনো প্রতিষ্ঠানই। ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে আসায় এপ্রিল-জুন এই তিন মাসে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় ধাক্কা লেগেছে। সিটি ব্যাংকও রয়েছে সেই তালিকায়। কোম্পানিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬ পয়সা। সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি মুনাফা কমেছে ৭৬ পয়সা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকের মুনাফায় ধস নামায় ৬ মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৮২ পয়সা। মুনাফায় ধস নামলেও কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। চলতি বছরের জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬৭ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ২৪ টাকা ১৪ পয়সা।

এদিকে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারিটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৩ টাকা ৬৫ পয়সা, যা ২০১৯ সালের সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে ছিল ঋণাত্মক ৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

Leave a Reply