অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কিত নীতিমালা সংক্রান্ত সার্কুলার

0
1638

ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশঃ বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক সমূহের ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত একটি সার্কুলার, যা হুবহু আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো-

প্রিয় মহোদয়,

অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কিত নীতিমালা প্রসঙ্গে।

     ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৩৫ ধারায় ব্যাংকসমূহের অদাবীকৃত আমানত এবং মূল্যবান সামগ্রী সরকারি খাতে জমা করণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদান করার নির্দেশনা রয়েছে। উক্ত আইন অনুযায়ী কোন ব্যাংক কেম্পানীর কোন বাংলাদেশী শাখায় পরিশোধযোগ্য অর্থের (সরকার, নাবালক বা আদালতের অর্থ ব্যতীত) ব্যাপারে ১০ (দশ) বছর পর্যন্ত লেনদেন বা যোগাযোগ করা না হলে সে ধরনের অর্থ, চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের পাওনাদার বা পাওনাদারের পক্ষে কোন ব্যক্তিকে এবং মূল্যবান সামগ্রীর আমানতকারীকে ৩ (তিন) মাসের নোটিশ প্রেরণের বিধান রাখা হয়েছে। উল্লিখিত নোটিশ প্রেরণের ৩ (তিন) মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও যদি তার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র বা কোন উত্তর না আসে, সেক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী অদাবীকৃত আমানত এবং মূল্যবান সামগ্রী সরকারী খাতে জমা করণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রদান করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উক্ত আইনের সুষ্ঠু পরিপালন নিশ্চিতকল্পে নিম্নোক্ত নীতিমালা অনুসৃত হবেঃ
০১। গণনা ও নোটিশ প্রদানঃ (ক) সরকার, নাবালক বা আদালতের অর্থ ব্যতীত অন্য কারো পরিশোধযোগ্য অর্থ (নির্দিষ্ট মেয়াদী ও অন্য কোন আমানত, কোন আমানতের উপর প্রদেয় ডিভিডেন্ড, বোনাস, লাভ বা পরিশোধযোগ্য অন্য কোন অর্থ), পরিশোধযোগ্য চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিল এবং ব্যাংক এর জিম্মায় রক্ষিত মূল্যবান সামগ্রী ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৩৫ ধারার উপ-ধারা (১) এর গণনা অনুসারে গ্রাহক কর্তৃক ১০ (দশ) বছর পর্যন্ত লেনদেন বা যোগাযোগ করা না হলে সে সব অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী অদাবীকৃত অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী হিসেবে গণ্য হবে।
(খ) গণনাকৃত অর্থ ও চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের পাওনাদারদের পক্ষে কোন ব্যক্তিকে এবং মূল্যবান সামগ্রীর আমানতকারীকে তার দেয়া বা প্রেরিত সর্বশেষ ঠিকানায় প্রেরিত ব্যাংক-কোম্পানীর প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিষ্ট্রিকৃত ডাকযোগে ৩ (তিন) মাসের লিখিত নোটিশ প্রেরণ করতে হবে। ড্রাফট বা বিনিময় দলিলে পাওনাদারের ঠিকানা পাওয়া না গেলে আবেদনকারীর ঠিকানায় অনুরূপ নোটিশ প্রদান করতে হবে। নোটিশ প্রদানের ক্ষেত্রে উক্ত আইন এর ৩৫ ধারার উপধারা (৩) এ বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
০২। বিবরণী দাখিলঃ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৩৫ ধারার উপ-ধারা (১) অনুসারে সময়কাল গণনা করে ১০ (দশ) বছর অতিক্রান্ত হবার পর যে সব দাবীহীন অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী অপরিশোধিত, বা ক্ষেত্রমতে, অফেরত অবস্থায় ব্যাংকের নিকট থাকে সে সকল অর্থ বা সামগ্রীর একটি বিবরণী ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যেক পঞ্জিকা বছর শেষ হওয়ার পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে (পরিশিষ্ট-ক) বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
০৩। অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদানঃ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৩৫ ধারার উপ-ধারা (১) অনুসারে নোটিশ প্রেরণের ৩ (তিন) মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও যদি তার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র বা কোন উত্তর না আসে, তা হলে উক্ত আইনের উপধারা (২) এর বর্ণনানুযায়ী অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী প্রতি পঞ্জিকা বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে নিম্নরূপ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবেঃ
(অ) অদাবীকৃত আমানতঃ (ক) অদাবীকৃত আমানতসমূহ চিহ্নিত করে সুদসহ অর্থ চেক/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানীসমূহের নিকট দেশীয় মুদ্রা এবং বৈদেশিক মুদ্রা উভয় ধরনের অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী জমা থাকে। সময়ভেদে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের তারতম্য হওয়ার কারণে অদাবীকৃত বৈদেশিক মুদ্রার আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জমাগ্রহণ, জমাগ্রহণ পরবর্তী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্থাপিত দাবীসমূহ নিষ্পত্তিকরণ এবং দাবী বিহীন আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী সরকারের কাছে ন্যস্ত করার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে দেশীয় মুদ্রার আমানত এবং বৈদেশিক মুদার আমানতের অর্থ পৃথকভাবে হিসাবায়ন করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদান করতে হবে।
(খ) অদাবীকৃত দেশীর মুদ্রার (টাকা) আমানতসমূহের সুদসহ অর্থ টাকায় অংকিত চেক/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।
(গ) অদাবীকৃত বৈদেশিক মুদ্রার আমানতের সুদসহ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৬ (ছয়) টি বৈদেশিক মুদ্রায়, যথা- US Dollar ($), Great Briten Pound (£) , Euro ( €), Canadian Dollar (CAD), Japanies Yen (¥) এবং Chinese Yuan Renminbi (CNY) এ অঙ্কিত চেক/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ফরেক্স রিজার্ভ এন্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে জমা প্রদান করতে হবে। উল্লিখিত ছয়টি বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়া অপরাপর দেশের মুদ্রার ক্ষেত্রে জমাদানের তারিখে ব্যাংক প্রদর্শিত বিনিময় হারে সমমূল্যের USD -তে অঙ্কিত চেক/পে-অর্ডার প্রদান করতে হবে।
(ঘ) অদাবীকৃত আমানতের অর্থ জমা প্রদানের প্রেরণপত্রের (Forwarding Letter) সাথে নির্ধারিত ছকে (পরিশিষ্ট-খ) তথ্যাদি সংযুক্ত করতে হবে। পত্রের একটি অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
 (আ) অদাবীকৃত চেক, ড্রাফ্ট বা বিনিময় দলিলঃ (ক) চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের ক্ষেত্রে, তা উপস্থাপিত হলে যে পরিমাণ অর্থ, সুদ থাকলে সুদসহ, উক্ত ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় হতো, সে পরিমাণ অর্থ ও সুদ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করতে হবে।
(খ) দেশীয় মুদ্রায় অংকিত চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের ক্ষেত্রে টাকায় অংকিত চেক/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।
(গ) বৈদেশিক মুদ্রায় অংকিত চেক, ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৬ (ছয়) টি বৈদেশিক মুদ্রায় অঙ্কিত চেক/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ফরেক্স রিজার্ভ এন্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে জমা প্রদান করতে হবে। উল্লিখিত ছয়টি বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়া অপরাপর দেশের মুদ্রার ক্ষেত্রে জমাদানের তারিখে প্রদর্শিত বিনিময় হারে সমমূল্যের USD -তে অঙ্কিত চেক/পে-অর্ডার প্রদান করতে হবে।
(ঘ) প্রেরণপত্রের (Forwarding Letter) সাথে নির্ধারিত ছকে (পরিশিষ্ট-গ) তথ্যাদি সংযুক্ত করতে হবে। পত্রের একটি অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
(ই) অদাবীকৃত মূল্যবান সামগ্রীঃ (ক) মূল্যবান সামগ্রীর ক্ষেত্রে, যে দেনা, দলিল বা ব্যবস্থাধীনে ব্যাংকের জিম্মায় রক্ষিত আছে সে দেনা, দলিল বা ব্যবস্থার শর্ত মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।
(খ) প্রেরণপত্রের (Forwarding Letter) সাথে নির্ধারিত ছকে (পরিশিষ্ট-ঘ) তথ্যাদি সংযুক্ত করতে হবে। পত্রের একটি অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
 ০৪। তালিকা প্রকাশ ও দলিলাদি সংরক্ষণঃ (ক) অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদানের পর বাংলাদেশ ব্যাংকে হস্তান্তরিত অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক তাদের ওয়েবসাইটে এবং সরকারী গেজেট ও অন্যূন ২ (দুই) টি পত্রিকায় প্রতি তিন মাসে একবার করে ১ (এক) বছর যাবৎ প্রকাশ করতে হবে।
(খ) ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ধারা-৩৫(৯) অনুযায়ী অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এক বছর ধরে প্রদর্শনের লক্ষ্যে ব্যাংকসমূহ উক্ত বিবরণীর সফটকপি বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়মিত সরবরাহ করবে।
(গ) অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংকে হস্তান্তর করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এ ধরনের হিসাব খোলার আবেদন পত্রে উক্ত হস্তান্তর করার বিষয়টি চিহ্নিত ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করবে এবং এতদক্রান্ত স্বাক্ষর কার্ড, স্বাক্ষরের কর্তৃত্ব সম্পর্কিত দলিল ও অন্যান্য দলিল সংরক্ষণ করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক হতে অনুরূপ সংরক্ষণের প্রয়োজন নেই মর্মে না জানানো পর্যন্ত উক্ত দলিলাদি সংরক্ষণ করতে হবে।
 ০৫। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাবী উত্থাপনঃ (ক) অদাবীকৃত আমানতের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর হতে ২ (দুই) বছরের মধ্যে কোন দাবী উত্থাপিত হলে তা ফেরৎ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক গ্রাহকের আবেদনক্রমে প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ (পরিশিষ্ট-ঙ) বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ বরাবর আবেদন করতে হবে।
(খ) দেশীয় মুদ্রার আমানত ও মূল্যবান সামগ্রীর ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল অফিস এবং বৈদেশিক মুদ্রার আমানত ও মূল্যবান সামগ্রীর ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এর ফরেক্স রিজার্ভ এন্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে প্রেরণ করতে হবে।
(গ) মৃত গ্রাহকের ক্ষেত্রে তার মৃত্যু সনদ জমা প্রদান করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে অদাবীকৃত আমানত বা মূল্যবান সামগ্রী ফেরত প্রদানের জন্য নমিনী/নমিনীগণ বা নমিনী মনোনয়ন করা না থাকলে উত্তরাধিকার সনদ অনুযায়ী উপযুক্ত উত্তরাধিকারী/ উত্তরাধিকারীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বরাবরে আবেদন করবে।
০৬। অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রী সরকারের নিকট হস্তান্তরঃ অদাবীকৃত আমানতের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর হতে ২ (দুই) বছরের মধ্যে গ্রাহক কর্তৃক উত্থাপিত দাবি মেটানোর পর অবশিষ্ট অর্থ বা সামগ্রী সম্পর্কে যদি আর কোন দাবী উত্থাপন না করা হয় বা কোন পক্ষ হতে বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করা না হয় তাহলে উক্ত ২ (দুই) বছর সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর হতে সে অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর উপর কারো কোন দাবী থাকবে না এবং তা সরকারের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে এবং সরকারের নিকট তা ন্যস্ত করা হবে।
 ০৭। পরিবর্তন ও পরিমার্জনঃ ব্যাংক কোম্পানী আইন এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রয়োজন বোধে নতুন নির্দেশনা/পরামর্শ দিতে পারবে এবং বর্ণিত নীতিমালার পরিবর্তন ও পরিমার্জন করতে পারবে।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আপনাদের বিশ্বস্ত,

(আবু ফরাহ মোঃ নাছের)
মহাব্যবস্থাপক
ফোন: ৯৫৩০২৫২

• সার্কুলার ও নীতিমালাটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

সূত্রঃ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক
বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-১০/২০১৮, তারিখঃ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

Leave a Reply