ঋণ খেলাপিদের সামাজিকভাবে বয়কট করুন

0
585

গত ৩৯ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ সময়ে ঋণ খেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন। খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে না পারলে দেশের অর্থনীতি বিপদগ্রস্থ থাকবে। যার কুফল ভোগ করতে হবে সবাইকে। ঋণ খেলাপিরা সমাজের অসংগতি ডেকে আনে৷ অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম ঋন খেলাপি সমাধানে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ঋণ খেলাপিদের শাস্তির আওতায় আনতে বলেছেন৷ নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পরিপালন করলে ঋণ খেলাপিদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনা যাবে আশা করা যায়৷

❏ ঋণ খেলাপিদের পবিত্র হজ্জ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরােপ করুন।
❏ ঋণ খেলাপিদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরােপ করুন।
❏ ঋণ খেলাপিদের সামাজিক অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
❏ ঋণ খেলাপিদের প্রতিরােধ ও নিয়ন্ত্রনে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে সেমিনার/ সিম্পােজিয়ামের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুন।

❏ ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ঋণ খেলাপিদের ডাটাবেজ প্রেরণ করুন।
❏ যে কোন ধরনের ভিসা- ট্যুরিস্ট, ভিজিট, বিজনেস ইত্যাদি প্রদান করতে দূতাবাসগুলােকে নিরুৎসাহিত করুন।
❏ ঋণ খেলাপিদের সাথে আপনার ছেলে/ মেয়ের বিয়ে দিবেন না।
❏ চেক ডিজঅনার মামলাগুলাে দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করনসহ কঠিনতম শাস্তির বিধান নিশ্চিত করুন।
❏ অর্থ ঋণ মামলা সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলা নিষ্পত্তি করনে সময় ক্ষেপনের দৌরাত্য বন্ধ করনে সচেষ্ট হােন।

উপরের বিষয়গুলো যদি সঠিকভাবে পরিপালন করা যায় তাহলে ঋণ খেলাপিদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা যাবে এবং ধীরে ধীরে খেলাপি ঋণ বন্ধ হয়ে যাবে৷

Leave a Reply