ব্যাংক-কোম্পানী আইন (সংশোধন) ২০১৩

0
2759

ব্যাংক-কোম্পানী আইন (সংশোধন) ২০১৩

রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১

বাংলাদেশ গেজেট

অতিরিক্ত সংখ্যা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত
সোমবার, জুলাই ২২, ২০১৩

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

ঢাকা, ২২ জুলাই, ২০১৩/০৭ শ্রাবণ, ১৪২০

সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিম্নলিখিত আইনটি ২২ জুলাই, ২০১৩ (০৭ শ্রাবণ, ১৪২০) তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইনটি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা যাইতেছে:–

২০১৩ সনের ২৭ নং আইন

ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।–(১) এই আইন ব্যাংক-কোম্পানী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩ এর প্রতিস্থাপন।–ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“৩। সমবায় সমিতি ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আইনের সীমিত প্রয়োগ।–(১) এই আইনের কোন কিছুই সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ৪৭ নং আইন) অথবা সমবায় সমিতি সম্পর্কিত আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের অধীন নিবন্ধিত কোন সমবায় সমিতি এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩২ নং আইন) এর অধীন ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সনদপ্রাপ্ত কোন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন সমবায় সমিতি সদস্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে অবৈধভাবে আমানত গ্রহণ করিলে ধারা ৪৪ এবং ৪৫ এর অধীন ব্যাংক-কোম্পানী যেভাবে পরিদর্শন করা হয় বা উহাকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক একইভাবে যে কোন সমবায় সমিতি পরিদর্শন করিতে, এবং ঐ সকল সমিতিকে নির্দেশ দিতে পারিবে।
(২) ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (৬), ধারা ২৭ক এবং ধারা ২৭কক এর বিধানাবলী ব্যতীত অন্য কোন কিছুই আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন) এর অধীন লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
(৩) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বা অন্য যে কোন আইনের অধীনে নিবন্ধীকৃত হইয়া থাকুক না কেন, ধারা ৪৪ এবং ৪৫ এর অধীন ব্যাংক-কোম্পানী যেভাবে পরিদর্শন করা হয় বা উহাকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক একইভাবে ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে গঠিত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সাবসিডিয়ারী কোম্পানী পরিদর্শন করিতে, এবং ঐ সকল সাবসিডিয়ারী কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে।”।
৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪ এর বিলুপ্তকরণ।–উক্ত আইনের ধারা ৪ বিলুপ্ত হইবে।
৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫ এর–
(ক) দফা (ক) এ উল্লিখিত ‘১৩(৪)’ সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে ‘১৩(৩)’ সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) দফা (গগ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গগ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা :–
“(গগ) “খেলাপী ঋণ গ্রহীতা” অর্থ কোন দেনাদার ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী যাহার নিজের বা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রদত্ত অগ্রীম, ঋণ বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা বা উহার অংশ বা উহার উপর অর্জিত সুদ বা উহার মুনাফা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত সংজ্ঞা অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ৬ (ছয়) মাস অতিবাহিত হইয়াছে;
ব্যাখ্যা।–এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন ব্যক্তি বা, ক্ষেত্রমত, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক না হইলে অথবা উক্ত প্রতিষ্ঠানে তাহার বা উহার শেয়ারের অংশ ২০% এর অধিক না হইলে অথবা উক্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণের জামিনদাতা না হইলে, উক্ত প্রতিষ্ঠান তাহার বা উহার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বলিয়া গণ্য হইবে না;”;
(গ) দফা (গগ) এর পর নিম্নরূপ একটি নূতন দফা (গগগ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“(গগগ) “ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান” অর্থ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩২ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (২১) এ সংজ্ঞায়িত কোন ক্ষুদ্র্ঋণ প্রতিষ্ঠান;”;
(ঘ) দফা (ঙ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঙ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(ঙ) “জামানতী ঋণ বা অগ্রিম” অর্থ সেই ঋণ বা অগ্রিম যাহা সম্পদের জামানত গ্রহণ করিয়া প্রদান করা হয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্ণীত উক্ত সম্পদের বাজার মূল্য কোন সময়েই ঋণের পরিমাণের চাইতে কম হয় না, এবং “অজামানতী ঋণ বা অগ্রিম” অর্থ সেই ঋণ বা অগ্রিম বা উহার ঐ অংশ যাহার বিপরীতে কোন জামানত গ্রহণ করা হয় না;”;
(ঙ) দফা (ছ) এ উল্লিখিত ‘অর্থ’ শব্দটির পর ‘ঋণ ও অগ্রিম গ্রহণ,’ শব্দগুলি ও কমা সন্নিবেশিত হইবে;
(চ) দফা (জ) বিলুপ্ত হইবে;
(ছ) দফা (ঝ) এর উপ-দফা (১) এ ‘লাভ-ক্ষতির’ শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে ‘আমানত প্রদানকারী বা লাভ-ক্ষতির’ শব্দগুলি ও হাইফেন প্রতিস্থাপিত হইবে;
(জ) দফা (ড) এ দুইবার উল্লিখিত ‘বিশিষ্ট ব্যাংক’ শব্দগুলির পরিবর্তে উভয় স্থানে ‘বিশেষায়িত ব্যাংক’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঝ) দফা (ঢ) এর–
(অ) উপ-দফা (১) বিলুপ্ত হইবে;
(আ) উপ-দফা (২) এ উল্লিখিত ‘বিশিষ্ট’ শব্দটির পরিবর্তে ‘বিশেষায়িত’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঞ) দফা (ণ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ণ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(ণ) “ব্যাংক-কোম্পানী” অর্থ ধারা ৩১ এর অধীন লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনাকারী কোন কোম্পানী, এবং যে কোন বিশেষায়িত ব্যাংকও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;”;
(ট) দফা (থথথ) এ উল্লিখিত ‘শরিয়ত’ শব্দটির পরিবর্তে ‘শরীয়াহ’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঠ) দফা (থথথথথ) এ উল্লিখিত ‘শরিয়ত’ শব্দটির পরিবর্তে ‘শরীয়াহ’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৬ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৬ এর দফা
(ক) এ উল্লিখিত ‘নূতন ব্যাংক বা বিশিষ্ট’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘বিশেষায়িত’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৭ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর–
(অ) দফা (ঘ) এ উল্লিখিত ‘ক্রেডিট কার্ড’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘ব্যাংক কার্ড’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(আ) দফা (জ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (জ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(জ) বন্ড, স্ক্রিপ বা অন্যান্য প্রকারের সম্পত্তি নিদর্শন পত্র যথা, মেয়াদী অংশগ্রহণ-পত্র, মেয়াদী অর্থ সংস্থান-পত্র, মুদারাবা সার্টিফিকেট, মুশারিকা সার্টিফিকেট এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত অন্যান্য অনুরূপ দলিল, সরকারের পক্ষে বা অন্যান্যদের পক্ষে ক্রয় ও বিক্রয়;”; এবং
(খ) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ একটি নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের ধারা ২৬ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী স্টক-ব্রোকার, স্টক-ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার হিসাবে বা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন হইতে নিবন্ধন গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে এইরূপ কোন ব্যবসায়ে সরাসরি লিপ্ত হইতে পারিবে না।”।
৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৮ এ উল্লিখিত ‘অন্য কোন কোম্পানী’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘অন্য কোন কোম্পানী কিংবা প্রতিষ্ঠান’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৮। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৯ এর–
(ক) শর্তাংশে উল্লিখিত ‘শরিয়ত’ শব্দের পরিবর্তে ‘শরীয়াহ’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
এবং
(খ) ব্যাখ্যায় উল্লিখিত ‘এবং অন্যান্য ধাতু ব্যতীত, সকল প্রকারের অস্থাবর সম্পত্তি এবং ধারা ৭(১) এর (গ), (ঘ), (ছ) ও (জ) দফাসমূহে উল্লিখিত সকল দলিল দস্তাবেজ’ শব্দগুলি, বন্ধনীগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমাগুলির পরিবর্তে “ও অন্যান্য ধাতু এবং ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), (ঘ), (ছ) ও (জ) এ উল্লিখিত সকল দলিল দস্তাবেজ ব্যতীত, সকল প্রকারের অস্থাবর সম্পত্তি” শব্দগুলি, বন্ধনীগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৯। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১১ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর উপ-দফা (আ) এর শর্তাংশের অনুচ্ছেদ (২) এর শেষাংশে উল্লিখিত ‘বা’ শব্দটি বিলুপ্ত হইবে।
১০। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১২ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১২–
(ক) এর উপান্ত-টীকায় উল্লিখিত ‘নথিপত্র’ শব্দটির পরিবর্তে ‘নথিপত্র এবং কর্মপ্রক্রিয়া’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) তে উল্লিখিত ‘নথিপত্র’ শব্দটির পরিবর্তে ‘নথিপত্র কিংবা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়াযোগ্য কার্যক্রম’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং
(গ) এর ব্যাখ্যা অংশের দফা (ক) এবং (খ) এ দুইবার উল্লিখিত ‘বৈদ্যুতিক’ শব্দটির পরিবর্তে উভয় অংশে ‘তথ্যপ্রযুক্তি’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
১১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১৩ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১৩ এর–
(ক) উপান্ত-টীকা এবং উপ-ধারা (১) ও (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপান্ত-টীকা এবং উপ-ধারা (১) ও (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
১৩। মূলধন সংরক্ষণ।–(১) বাংলাদেশে কার্যরত সকল ব্যাংক-কোম্পানীকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, নির্ধারিত পরিমাণে, হারে ও পন্থায় মূলধন সংরক্ষণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত পরামর্শক্রমে, বিশেষায়িত ব্যাংসমূহকে এই ধারার বিধান হইতে অব্যাহতি দিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।–এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মূলধন” বলিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, জারিকৃত মূলধন সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালায় যে সকল উপাদানকে মূলধন বলিয়া নির্দিষ্ট করা হইবে সেই সকল উপাদানকে বুঝাইবে।
(২) আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়ামসহ সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংসে এর সমষ্টি, এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারিত পরিমাণের কমপক্ষে সমান সংরক্ষিত না হইলে এই আইন কার্যকর হইবার পর হইতে, বিদ্যমান কোন ব্যাংক-কোম্পানী, একাদিক্রমে অনুরূপ সংরক্ষণে ব্যর্থতার ২ (দুই) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর, বাংলাদেশে উহার ব্যবসা পরিচালনা করিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক সমীচীন মনে করিলে বিশেষ ক্ষেত্রে উল্লিখিত মেয়াদ অনধিক ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবে।
(খ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত ‘উপ-ধারা (২) মোতাবেক রক্ষণীয় অর্থ জমা না রাখিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী উক্ত উপ-ধারার’ শব্দগুলি, সংখ্যা, বন্ধনী, হাইফেন ও কমার পরিবর্তে ‘উক্ত অর্থ জমা না রাখিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (২) এর’ শব্দগুলি, সংখ্যা, বন্ধনী ও উহার হাইফেন এবং উহার শর্তাংশে উল্লিখিত ‘হস্তান্তর’ শব্দটির পরিবর্তে ‘আনয়ন’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত ‘কোন ব্যাংক-কোম্পানীর আদায়কৃত মূলধন ও সংরক্ষিত তহবিলের মোট মূল্য’ শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে ‘কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক সংরক্ষিতব্য বা সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ বা উপাদান ইত্যাদি’ শব্দগুলি ও হাইফেন প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (৭) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৭) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(৭) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (১) মোতাবেক আবশ্যক পরিমাণে, হারে ও পন্থায় মূলধন সংরক্ষণ করিতে ব্যর্থ হইয়াছে তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে অনধিক (১) বৎসরের মধ্যে উক্ত ঘাটতি পূরণের নির্দেশ দিতে পারিবে এবং এইরূপ নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ব্যর্থতা অব্যাহত থাকিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত যে
কোন অথবা সকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে, যথা:–
(ক) নির্দিষ্ট মেয়াদে বা অনুরূপ ঘাটতি পূরণের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত ব্যাংক কর্তৃক নূতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ করা;
(খ) নির্দিষ্ট মেয়াদে বা অনুরূপ ঘাটতি পূরণের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত ব্যাংক কর্তৃক নূতন ঋণ ও অগ্রিম প্রদান নিষিদ্ধ করা;
(গ) উক্ত ব্যর্থতার জন্য সর্বনিম্ন বিশ লক্ষ টাকা হইতে অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা জরিমানা আরোপ এবং যদি উক্ত লংঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ; এবং
(ঘ) এই আইনের অধীন অন্যান্য শাস্তি বা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।”।
১২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১৪ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ‘নূতন ব্যাংক বা বিশিষ্ট’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘বিশেষায়িত’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত ‘উহার মূলধন’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘উহার অনুমোদিত মূলধন’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ‘নূতন ব্যাংক বা বিশিষ্ট ব্যাংক ব্যতীত অন্য’ শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।
১৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১৪ক এর সংশোধন–উক্ত আইনের ধারা ১৪ক এর–
(ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ‘ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের সময় ক্রেতা’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক যাচিত হইলে উক্ত ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের সময় ক্রেতা’ শব্দগুলি ও হাইফেন প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৩) এ ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) ব্যাখ্যা অংশের ‘উপ-ধারায়’ শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে ‘ধারায়’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
১৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনে ধারা ১৪খ এর সন্নিবেশ।–উক্ত আইনের ধারা ১৪ক এর পর নিম্নরূপ একটি নূতন ধারা ১৪খ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“১৪খ। উল্লেখযোগ্য শেয়ার ধারক।–(১) বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ব্যতীত, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, একক বা অন্যের সহিত যৌথভাবে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর উল্লেখযোগ্য শেয়ার ধারক হইতে পারিবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত পূর্বানুমোদন গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করিতে হইবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক যাচিত তথ্য উহাতে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা।–‘উল্লেখযোগ্য শেয়ার ধারক’ বলিতে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, একক বা অন্যের সাথে যৌথভাবে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর মালিকানা স্বত্বের শতকরা পাঁচ ভাগের অধিক শেয়ার ধারণকে বুঝাইবে।
১৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ‘নূতন ব্যাংক বা বিশিষ্ট’ শব্দগুলির পরিবর্তে ‘বিশেষায়িত’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
‘(৪) বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে উহার পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্তি বা পদায়নের পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে এবং এইরূপ নিযুক্ত কর্মকর্তাগণকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে তাহার পদ হইতে অব্যাহতি দেওয়া, বরখাস্ত করা বা অপসারণ করা যাইবে না।”।
(গ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(৫) বাংলাদেশ ব্যাংক, উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্তির বিষয়ে অনুমোদন প্রদান করিবে।
(ঘ) উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ সাতটি নূতন উপ-ধারা যথাক্রমে (৬), (৭), (৮), (৯), (১০), ১১) এবং (১২) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(৬) কোন ব্যক্তি কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্ত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি–
(অ) তাহার অন্যূন ১০ (দশ) বৎসরের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা না থাকে;
(আ) তিনি ফৌজদারী অপরাধে দন্ডিত হন কিংবা জাল-জালিয়াতি, আর্থিক অপরাধ বা অন্যবিধ অবৈধ কর্মকান্ডের সহিত জড়িত ছিলেন বা থাকেন;
(ই) তাহার সম্পর্কে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলায় আদালতের রায়ে কোন বিরূপ পর্যবেক্ষণ বা মন্তব্য থাকে;
(ঈ) তিনি আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট কোন নিয়ামক সংস্থার বিধিমালা, প্রবিধান বা নিয়ামাচার লংঘনজনিত কারণে দন্ডিত হন;
(উ) তিনি এমন কোনো কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের সহিত যুক্ত থাকেন, যাহার নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাতিল করা হইয়াছে বা প্রতিষ্ঠানটি অবসায়িত হইয়াছে;
(ঊ) তাহার নিজের কিংবা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ বা খেলাপী হন;
(এ) তিনি কোনো সময় আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হন।
(৭) ব্যাংক-কোম্পানীর প্রস্তাবিত পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করিবেন যে, তিনি উপ-ধারা (৬) এর বিধান অনুসারে পরিচালক হইবার অনুপযুক্ত নহেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মনোনীত প্রার্থী নিযুক্তির ক্ষেত্রে স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্রটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করিবে।
(৮) উপ-ধারা (৬) এর বিধান এই সম্পর্কিত প্রচলিত অন্যান্য আইনের অতিরিক্ত হিসাবে গণ্য হইবে।
(৯) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন অথবা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘস্মারক বা সংঘবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার ১(এক) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর ৩ (তিন) জন স্বতন্ত্র পরিচালকসহ কোন ব্যাংক-কোম্পানীতে সর্বমোট ২০ (বিশ) জনের অধিক পরিচালক থাকিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যাংক কোম্পানীর পরিচালক সংখ্যা ২০ (বিশ) জনের কম হইলে স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা অন্যূন দুইজন হইবে:
আরো শর্ত থাকে যে, স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের পূর্বে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, আইন কার্যকর হইবার ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে এই উপ-ধারার বিধান মোতাবেক স্বতন্ত্র পরিচালকগণের নিয়োগ নিশ্চিত করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা−-এই উপ-ধারায় “স্বতন্ত্র পরিচালক” বলিতে এইরূপ ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা এবং শেয়ারধারক হইতে স্বাধীন এবং যিনি কেবলমাত্র ব্যাংক-কোম্পানীর স্বার্থে স্বীয় মতামত প্রদান করিবেন এবং ব্যাংকের সহিত কিংবা ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সহিত যাহার অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কোন প্রকৃত স্বার্থ কিংবা দৃশ্যমান স্বার্থের বিষয় জড়িত নাই।
(১০) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন অথবা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘস্মারক বা সংঘবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার ১ (এক) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর হইতে কোন একক পরিবার হইতে দুইজনের অধিক সদস্য একইসময়ে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত থাকিবে না।
(১১) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালকের পদ ত্যাগ করার আবশ্যক হইলে পরিচালকগণের মধ্য হইতে কোন পরিচালক উক্ত পদ ত্যাগ করিবেন তাহা পরিচালকদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হইবে এবং পারস্পরিক সমঝোতায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে তাহা পরিচালক পর্ষদের সভায় লটারী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হইবে।
(১২) ব্যাংক-কোম্পানীর এমন কোন পরিচালক থাকিবেন না যিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা ও উপযুক্ততার শর্তাবলী পূরণ না করেন।
ব্যাখ্যা।–এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিবারের সদস্য হিসাবে স্বামী বা স্ত্রী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই ও বোন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল সকলেই অন্তর্ভুক্ত হইবেন।
১৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১৫কক এর প্রতিস্থাপন।–উক্ত আইনের ধারা ১৫কক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৫কক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“১৫কক। পরিচালক পদের মেয়াদ, ইত্যাদি।–(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে অথবা কোন ব্যাংক-কোম্পানীর সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার পর কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদের সর্বোচ্চ মেয়াদ হইবে ৩ (তিন) বৎসর:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, ব্যতীত অন্য কোন পরিচালক একাদিক্রমে ২ (দুই) মেয়াদের অধিক উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকিতে পারিবেন না।
(২) উপ-ধারা (১) অনুসারে কোন পরিচালক একাদিক্রমে ২ (দুই) মেয়াদে পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত থাকিলে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক পদে পুনঃনির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না।
ব্যাখ্যা।–এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন একটি মেয়াদের আংশিক মেয়াদ পূর্ণ মেয়াদ হিসাবে গণ্য হইবে।”।
১৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনে দুইটি নূতন ধারা ১৫খ ও ১৫গ এর সন্নিবেশ।–উক্ত আইনের ধারা ১৫কক এর পর নিম্নরূপ দুইটি নূতন ধারা যথাক্রমে ১৫খ ও ১৫গ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“১৫খ। পর্যদের ভূমিকা।–(১) ব্যাংক-কোম্পানীর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও উহার পরিপালনের জন্য পরিচালনা পর্ষদ দায়বদ্ধ থাকিবে।
(২) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী উহার পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য নহেন এইরূপ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি অডিট কমিটি গঠন করিবে।
(৩) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী উহার পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করিবে।
১৫গ। অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ।–(১) পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যাংক-কোম্পানীতে একটি কার্যকর অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করিবে; এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা হইতে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হইবে এবং উহার প্রতিবেদন ব্যাংকের অডিট কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(২) অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করিতে পারিবে এবং তাহাদের নিকট হইতে নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বা নথি সংগ্রহ করিতে পারিবে।
(৩) অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষার দায়িত্বে নিযুক্ত ব্যক্তি একই সময়ে ব্যাংক-কোম্পানীর কোন চুক্তি বা লেনদেনে সংযুক্ত হইতে বা ব্যাংক-কোম্পানীর প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবে না।”।
১৮। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১৭ এর–
(ক) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে” শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে “ব্যাংক-কোম্পানীতে” শব্দগুলি ও হাইফেন প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৬) এর পর নিম্নরূপ দুইটি নূতন উপ-ধারা যথাক্রমে (৭) ও (৮) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“(৭) উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোনো ব্যাংকে-কোম্পানীর পরিচালক নোটিশ প্রাপ্ত হইলে, তাহার নিকট সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমুদয় পাওনা পরিশোধিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি যেই ব্যাংকে পরিচালক নিয়োজিত ছিলেন সেই ব্যাংকে তাহার নামে ধারণকৃত শেয়ার হস্তান্তর করিতে পারিবেন না।
(৮) এই ধারার অধীন গৃহীত কোন ব্যবস্থা, আদেশ বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর ধারা ৩ এর অধীন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত ব্যতীত অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।”।
১৯। ১৯৯১ সনের ১৪নং আইনের ধারা ১৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর–
(ক) উপান্ত-টীকার পরিবর্তে নিম্নরূপ উপান্ত-টীকা প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহিত লেনদেন সম্পর্কিত বিধান।-”;
(খ) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২), (৩), (৪), (৫), (৬), (৭) ও (৮) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(২) ব্যাংক-কোম্পানীর প্রত্যেক পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী ও তাহার নিম্নতর দুইস্তর পর্যন্ত কোন কর্মকর্তাকে স্ব স্ব বাণিজ্যিক, আর্থিক, কৃষি, শিল্প এবং অন্যান্য ব্যবসার নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য বিবরণ এবং পারিবারিক ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্টতার বিবরণ লিখিতভাবে পরিচালনা পর্ষদের নিকট বাৎসরিক ভিত্তিতে প্রদান করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্তরূপ ব্যবসায়িক স্বার্থের বিবরণ প্রদান ছাড়াও, তাহার সহিত যদি এইরূপ কোন ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক থাকে, যিনি ব্যাংক-কোম্পানীর সাথে কোন উল্লেখযোগ্য চুক্তিতে আবদ্ধ কিংবা আবদ্ধ হইতে যাইতেছেন, তাহা হইলে উক্ত চুক্তি অথবা প্রস্তাবিত চুক্তি গোচরে আসিবামাত্র লিখিতভাবে পরিচালনা পর্ষদকে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) কোন পরিচালকের এই ধারার অধীন ঘোষণাযোগ্য তথ্য রহিয়াছে এইরূপ কোন বিষয় যদি পরিচালনা পর্ষদের সভায় আলোচিতব্য থাকে তাহা হইলে সভার শুরুতেই উক্ত পরিচালক বিষয়টি সম্পর্কে পর্ষদকে অবহিত করিবেন এবং অতঃপর তিনি উক্ত বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণ করা হইতে অথবা এই বিষয়ে কোন ভোট প্রদানে বিরত থাকিবেন এবং তাহার উপস্থিতি উক্ত সভার কোরামের জন্য গননা করা যাইবে না।
(৫) স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্বত্বের মূল্যমান, আকার কিংবা আয় অর্জনের পরিমাণ ইত্যাদির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বিবরণী হইতে কোন উপাদান বাদ দিতে পারিবে এবং উপ-ধারার (৩) এ উল্লিখিত সম্পর্ক বিষয়ে বিধান জারী করিতে পারিবে।
(৬) যদি কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান অনুযায়ী স্বার্থসংশ্লিষ্টতার বিবরণী প্রদান বা কোন গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশ করিতে ব্যর্থ হন তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার কোন শেয়ারধারক অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনক্রমে কোন যথাযথ ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত আলোচ্য চুক্তিটি, যদি থাকে, বাতিল ঘোষণা করিতে পারিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত আদেশ দ্বারা, ১ (এক) বৎসরের অধিক নয় এমন যে কোন সময়ের জন্য, উক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করিতে অথবা এই আইনের অধীনে অন্য কোন শাস্তি প্রদান করিতে পারিবে।”;
(৭) উপ-ধারা (১) এর আওতায় বিবরণী প্রদানকারী কোন ব্যক্তি এবং ব্যাংক- কোম্পানীর কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ব্যাংকের আস্থাভাজন ও অনুগত থাকিবেন এবং স্বীয় স্বার্থের উপরে আমানতকারীদের স্বার্থ এবং ব্যাংক-কোম্পানীর স্বার্থকে স্থান দিবেন।
(৮) ব্যাংক-কোম্পানী এইরূপ কার্যপদ্ধতি প্রবর্তন করিবে যাহাতে কোন পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর কোন একজন গ্রাহকের প্রতি দায়-দায়িত্ব অপর কোন গ্রাহক স্বীয় স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়।
২০। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২১ এর–
(ক) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সরকারের নিকট আপীল” শব্দগুলির পরিবর্তে “বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা-পর্ষদের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৪) বিলুপ্ত হইবে।
২১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২২ এর প্রতিস্থাপন।–উক্ত আইনের ধারা ২২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“২২। লভ্যাংশ (Dividend) প্রদানের উপর বাধা-নিষেধ।–বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যতীত অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার শেয়ারের উপর কোন লভ্যাংশ প্রদান করিবে না, যদি–
(ক) উহার প্রাথমিক ব্যয়, সাংগঠনিক ব্যয়, শেয়ার বিক্রি ও দালালীর কমিশন, লোকসান এবং অন্যান্য ব্যয়সহ মূলধনী ব্যয়ে পরিণত হইয়াছে এইরূপ সকল ব্যয় সম্পূর্ণরূপে অবলোপন না করা হইয়া থাকে, অথবা
(খ) উহা ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়।”।
২২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৩ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৩ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর–
(অ) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(ক) কোন ব্যক্তি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক হইলে একই সময়ে তিনি অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক থাকিবেন না। তবে এই আইন কার্যকর হইবার পর হইতে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে কোন বীমা কোম্পানীর পরিচালক থাকিতে পারিবেন;
(আ) দফা (খ) এর–
(১) উপ-দফা (ই) এ উল্লিখিত “কোন কোম্পানীর পরিচালক যে কোম্পানী বা কোম্পানীসমূহ” শব্দগুলির পরিবর্তে “কতিপয় কোম্পানীর পরিচালক যে কোম্পানীসমূহ একত্রে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(২) উপ-দফা (ই) এ প্রান্তঃস্থিত কোলন(:) এর পরিবর্তে সেমিকোলন (;) বসিবে এবং অত:পর নিম্নরূপ উপ-দফা (ঈ) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(ঈ) অপর কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পক্ষে পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত হইয়াছেন:”;
(ই) শর্তাংশে উল্লিখিত “পরিচালকের” শব্দটির পরিবর্তে “বিশেষায়িত ব্যাংকের পরিচালকের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (১ক) এর প্রান্তঃস্থিত কোলন (:) এর পরিবর্তে দাঁড়ি (।) বসিবে এবং অত:পর উল্লিখিত শর্তাংশ দুইটি বিলুপ্ত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “যেসব কোম্পানী” শব্দগুলির পর “একত্রে” শব্দটি সন্নিবেশিত হইবে।
২৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৪ এর–
(ক) উপান্ত-টীকার পরিবর্তে নিম্নরূপ উপান্ত-টীকা প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি।–”;
(খ) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “সংরক্ষিত তহবিল” এবং “সংরক্ষিত তহবিলে” শব্দগুলির পরিবর্তে যথাক্রমে “সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি” এবং “সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতিতে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে এবং ‘যে পরিমাণ’ শব্দগুলির পর উল্লিখিত “প্রিমিয়াম” শব্দটি বিলুপ্ত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “সংরক্ষিত তহবিল” শব্দগুলির পরিবর্তে “সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৫ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(১)তফসিলি ব্যাংক ব্যতীত প্রতিটি ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশে সংরক্ষিত নগদ তহবিল হিসাবে এই পরিমাণ নগদ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক বা উহার প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকে মওজুদ রাখিবে যাহা যে কোন কার্যদিবসের সমাপ্তিতে উহার সমুদয় মেয়াদী ও চাহিবামাত্র দায়ের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হারের কম হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন বিশেষ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এবং উহাতে এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, সংরক্ষিত নগদ তহবিল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা রহিত করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।–এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পরিশোধিত মূলধন, বা সংরক্ষিত সঞ্চিতিসমূহ বা লাভ-ক্ষতির হিসাবে প্রদর্শিত আকলন স্থিতি, বা বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে গৃহীত কোন ঋণ, “দায়” এর অন্তর্ভুক্ত হইবে না।”;
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “সংরক্ষিত তহবিল” শব্দগুলির পরিবর্তে “সংরক্ষিত নগদ তহবিল” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “দুই হাজার পাঁচশত টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে “পঁচিশ হাজার টাকা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “পাঁচ হাজার টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে “পঞ্চাশ হাজার টাকা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৬ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৬–
(ক) এর (১) সংখ্যা ও বন্ধনী বিলুপ্ত হইবে;
(খ) এ উল্লিখিত ‘গঠন করিতে’ শব্দগুলির পর ‘বা সাবসিডিয়ারী কোম্পানীতে পরিণত করার উদ্দেশ্যে কোন বিদ্যমান কোম্পানীর নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ার ক্রয় করিতে’ শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;
(গ) এর দফা (ঘ) এ উল্লিখিত “শরীয়তের” শব্দটির পরিবর্তে “শরীয়াহ” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঘ) এর দফা (ঙ) এর উপ-দফা (আ) এর পর নিম্নরূপ উপ-দফা (ই) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(ই) স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার হিসাবে বা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন হতে নিবন্ধন গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে এইরূপ কোন প্রকার ব্যবসায় পরিচালনা করা;” এবং
(ঙ) এর উপ-ধারা (২) ও (৩) বিলুপ্ত হইবে।
২৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনে চারটি নূতন ধারা যথাক্রমে ২৬ক, ২৬খ, ২৬গ ও ২৬ঘ এর সন্নিবেশ।–উক্ত আইনের ধারা ২৬ এর পর নিম্নরূপ চারটি নূতন ধারা যথাক্রমে ২৬ক, ২৬খ, ২৬গ ও ২৬ঘ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“২৬ক। ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক অন্য কোন কোম্পানীর শেয়ার ধারণ।–(১) ধারা ২৬ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন ব্যাংক-কোম্পানী অন্য কোন কোম্পানীর শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পরিমাণের অধিক শেয়ার ধারণ করিবে না, যথা:–
(ক) ধারণকৃত শেয়ার বাজারমূল্যে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংস এর মোট পরিমাণের পাঁচ শতাংশ,
(খ) উক্ত কোম্পানীর আদায়কৃত মূলধনের দশ শতাংশ:
তবে শর্ত থাকে যে, উপরোক্ত দফা (ক) ও দফা (খ) এ শেয়ার ধারণের পরিমাণ আদায়কৃত মূলধনের দশ শতাংশের বেশী হইতে পারিবে না:
আরো শর্ত থাকে যে, এই আইন কার্যকর হইবার তিন বৎসরের মধ্যে প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী এমনভাবে উহার পুঁজিবাজার বিনিয়োগ কোষ পুনর্গঠন করিবে যাহাতে ধারণকৃত সকল প্রকার শেয়ার, কর্পোরেট বন্ড, ডিবেঞ্চার, মিউচুয়াল ফান্ড ও অন্যান্য পুঁজিবাজার নিদর্শনপত্রের মোট বাজারমূল্য এবং পুঁজিবাজার কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়োজিত নিজস্ব সাবসিডিয়ারী কোম্পানী বা কোম্পানীসমূহ বা অন্য কোন কোম্পানী বা কোম্পানীসমূহে প্রদত্ত ঋণসুবিধা এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে গঠিত কোন প্রকার তহবিলে প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ সমষ্টিগতভাবে উহার আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংস এর মোট পরিমাণের ২৫ (পঁচিশ) শতাংশের অধিক না হয়।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা ম্যানেজার কোন কোম্পানীর পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট থাকেন বা উহাতে তাহার কোন স্বার্থ থাকে, তাহা হইলে, এই আইন প্রবর্তনের তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসর মেয়াদ অতিক্রান্ত হইবার পর, সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা ম্যানেজার উক্ত কোম্পানীতে কোন শেয়ার ধারণ করিতে পারিবে না।
(৩) কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিলে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনূর্ধ বিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপিত হইবে এবং যদি উক্ত লংঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত হইবে।
২৬খ। ঋণ-সীমার সাধারণ সীমাবদ্ধতা।–এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুন না কেন, (১) কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে প্রদত্ত বা প্রদেয় সকল ঋণ সুবিধার আসল অংকের মোট পরিমাণ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান মোতাবেক রক্ষিত মূলধনের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত হারের অধিক হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত সীমা কোন অবস্থাতেই শতকরা ২৫ ভাগের অধিক হইবে না।
(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত বা প্রদেয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত সংজ্ঞা অনুযায়ী নির্ণীত বৃহদাংক ঋণের সর্বমোট পরিমাণ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর মোট ঋণ ও অগ্রিমের সেই শতাংশ অপেক্ষা অধিক হইবে না যাহা এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হইবে।
(৩) সরকারকে অথবা সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নিশ্চয়তার বিপরীতে প্রদত্ত বা প্রদেয় ঋণ কিংবা ১ (এক) বৎসরের চাইতে কম মেয়াদের আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এবং (২) এ বর্ণিত বিধানের প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) কোন ব্যাংকিং গ্রুপের ক্ষেত্রে এই ধারায় বর্ণিত সীমাসমূহ কোন পদ্ধতিতে প্রয়োগ হইবে তাহা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এই ধারার অধীনে নির্দেশিত হইবে।
ব্যাখ্যা।–এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “গ্রুপ” বলিতে কোন ঋণগ্রহীতা এবং তাহার সহিত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত অন্য যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী যাহাদের একজনের আর্থিক স্বচ্ছলতা অন্যজনের আর্থিক স্বচ্ছলতাকে প্রভাবিত করে, অথবা তাহাদের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের কারণে একজনের দায় বা সুবিধা অন্যজনের উপর বর্তায়, এইরূপ সকলকে বুঝাইবে।
২৬গ। ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সহিত লেনদেন।–(১) কোন ব্যাংক কোম্পানী উক্ত ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সহিত বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে এইরূপ কোন লেনদেন করিবে না যাহার শর্তাবলী ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট নহে এমন কোন গ্রাহকের সহিত সম্পাদিত লেনদেনের শর্তাবলী অপেক্ষা সহজতর।
(২) উপরি-উক্ত বিধান সত্ত্বেও, কোন ব্যাংক কোম্পানী কর্তৃক ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বা তাহাদের স্বার্থের অনুকূলে প্রদত্ত ঋণ-সুবিধার মোট পরিমাণ উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর টিয়ার-১ মূলধনের শতকরা ১০ ভাগ এর অধিক হইবে না।
ব্যাখ্যা।–এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “টিয়ার-১ মূলধন” অর্থ ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তক জারীকৃত মূলধন সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালায় সংজ্ঞায়িত টিয়ার-১ মূলধন।
(৩) বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে এতদুদ্দেশ্যে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ন্যূনতম অংকের ঋণের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তিকে ঋণ প্রদানের পূর্বে পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে প্রদত্ত প্রতিটি ঋণের বিষয়ে যথাশীঘ্র পর্ষদকে অবহিত করিতে হইবে।
(৪) এই ধারার বিধান লংঘন করিয়া ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে ঋণ প্রদান করা হইলে উহা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করিতে হইবে এবং এইরূপ লংঘন পরিচালনা পর্ষদ সদস্যদের জ্ঞাতসারে ঘটিয়া থাকিলে তাহারা এককভাবে ও যৌথভাবে উক্ত ঋণের আসল, সুদ ও অন্যান্য সমুদয় চার্জ পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবেন।
(৫) ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সহিত বা তাহার স্বার্থের অনুকূলে ঋণ প্রদানের বিষয়ে এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনায় উল্লিখিত সংজ্ঞা কিংবা অতিরিক্ত শর্তাদি পরিপালনীয় হইবে।
(৬) বাংলাদেশে এক বা একাধিক শাখা পরিচালনাকারী বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধিত ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।
ব্যাখ্যা।–এই ধারায় “ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি” অর্থে বুঝাইবে–
(ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কিংবা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক;
(খ) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কিংবা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারকের স্বামী বা স্ত্রী;
(গ) এমন কোন কোম্পানী যেখানে ব্যাংক-কোম্পানীর কোন পরিচালক বা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক একজন পরিচালক বা উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক;
(ঘ) কোন কোম্পানীতে কোন ব্যাংক-কোম্পানী উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ারধারণ করিলে উক্ত কোম্পানীর কোন উল্লেখযোগ্য শেয়ারধারক;
(ঙ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত বিধান অনুযায়ী এমন কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী যিনি বা যাহারা দফা (ক)-(ঘ) এ বর্ণিত সম্পর্কের ন্যায় কোন ব্যাংক- কোম্পানীর সহিত সম্পর্কিত।
২৬ঘ। ব্যাংক-কর্মচারীর ঋণ-সীমা।–কোন ব্যাংক-কোম্পানী উহার কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে বা উহার সাবসিডিয়ারী কোম্পানীসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত শর্ত ও সীমার ব্যত্যয় করিয়া কোন ঋণ-সুবিধা প্রদান করিবে না।”।
২৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৭ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(১) কোন ব্যাংক-কোম্পানী,–
(ক) উহার নিজস্ব শেয়ারকে জামানত হিসাবে রাখিয়া কোন ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা প্রদান করিবে না;”
(খ) ইহার কোন পরিচালককে “জামানতী ঋণ বা অগ্রিম” ব্যতীত অন্য কোনরূপ ঋণ বা অগ্রিম মঞ্জুর করিবে না বা ইহার কোন পরিচালক কর্তৃক দায় গ্রহণের ভিত্তিতে “জামানতী ঋণ বা অগ্রিম” ব্যতীত ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা প্রদান করিবে না;
(গ) বিনা জামানতে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোন ঋণ বা অগ্রিম মঞ্জুর করিবে না, অথবা এই সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দায় গ্রহণের ভিত্তিতে কোন ঋণ ও অগ্রিম প্রদান করিবে না,–
(অ) ইহার কোন পরিচালকের পরিবারের কোন সদস্য;
(আ) এমন কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা প্রাইভেট কোম্পানী যাহাতে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী বা উহার কোন পরিচালক বা উহার কোন পরিচালকের পরিবারের কোন সদস্য পরিচালক, মালিক বা অংশীদার রহিয়াছেন;
(ই) এমন কোন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, যাহা উক্ত ব্যাংক- কোম্পানী বা উহার কোন পরিচালক বা উহার কোন পরিচালকের পরিবারের কোন সদস্য কর্তৃক কোনভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, অথবা যাহাতে উক্ত ব্যক্তিদের এমন পরিমাণ শেয়ার থাকে যাহা দ্বারা তাহারা অন্যূন বিশ শতাংশ ভোটদান ক্ষমতার অধিকারী হন।”;
(খ) উপ-ধারা (২) এর–
(অ) “ঋণ বা অগ্রিম” শব্দগুলির পরিবর্তে “ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোন আর্থিক সুবিধা” শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইব;
(আ) ব্যাখ্যা অংশে উল্লিখিত “উপ-ধারায়” শব্দটি ও হাইফেনের পরিবর্তে “ধারায়” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৮। ১৯৯১ সনের ১৪নং আইনের ধারা ২৭ক এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৭ক এর “পরিচালক পর্ষদের সম্মতি” শব্দগুলির পরিবর্তে “ঋণ বা বিনিয়োগ অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের একস্তর ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৯। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৮ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ঋণ” শব্দটির পরিবর্তে “ঋণ বা উহার অংশ বা উহার উপর অর্জিত সুদ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘনক্রমে কোনরূপ মওকুফ করা হইলে উহা অবৈধ হইবে, এবং অনুরূপ মওকুফের জন্য উহার যে সকল পরিচালক বা কর্মকর্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তাহাদের প্রত্যেকে উক্ত লঙ্ঘনের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং অনূর্ধ্ব তিন বৎসর কারাদন্ডে বা অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা অর্থ দন্ডে বা উভয় দন্ডনীয় হইবেন।”;
(গ) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ একটি ব্যাখ্যা সংযোজিত হইবে, যথা:–
“ব্যাখ্যা।–এই ধারায় “পরিচালক” বলিতে ক্ষেত্রমত, পরিচালকের স্ত্রী, স্বামী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই, বোন এবং ঐ পরিচালকের উপর নির্ভরশীল সকলকে বুঝাইবে।”।
৩০। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ২৯ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ২৯ এর–
উপ-ধারা (৩)এ উল্লিখিত “(ক) ও (খ)” অক্ষরগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে “(ক) হইতে (চ)” অক্ষরগুলি, শব্দ ও বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৩১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩০ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩০ এ উল্লিখিত “শরিয়ত” শব্দটির পরিবর্তে “শরীয়াহ” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৩২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩১ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “কোম্পানী” শব্দটির পরিবর্তে “ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানী” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৩) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “১৩(১)” সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “১৩” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(গ) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধিত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, কোম্পানীটি যে দেশে নিবন্ধনকৃত সেই দেশের সরকার বা আইন বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে সেই সকল সুবিধা প্রদান করে যে সব সুবিধা বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোম্পানীটিকে বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশী আইন প্রদান করে, এবং কোম্পানীটি বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোম্পানীর ব্যাপারে এই আইনের যে সকল বিধান প্রযোজ্য সে সকল বিধান মানিয়া চলে।”;
(ঘ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “সরকারের নিকট আপীল দায়ের” শব্দটির পরিবর্তে “বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা-পর্ষদের নিকট তাহা পুনর্বিবেচনার আবেদন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঙ) উপ-ধারা (৭) বিলুপ্ত হইবে।
৩৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩২ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর–
উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “জানাইয়া দিতে” শব্দগুলির পরিবর্তে “জানিয়া নিতে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৩৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৩ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৩ এর–
(ক) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(২) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক Bangladesh Bank Order, 1972 (P.O No. 127 of 1972) এর section 36 কিংবা ধারা ২৫ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট চলতি হিসাবে রক্ষিত নগদ জমার অতিরিক্ত অর্থ এবং নিজের নিকট বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন প্রতিনিধি ব্যাংকের নিকটে চলতি হিসাবে জমা অর্থ এবং/বা বাংলাদেশ ব্যাংকে লাভ-ক্ষতির ভাগাভাগি ভিত্তিক জমা হিসাবে রক্ষিত অর্থ বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন হিসাবে রক্ষিত অর্থ উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অর্থ গণনার ক্ষেত্রে নগদ অর্থ হিসাবে গণ্য হইবে।
ব্যাখ্যা।–এই উপ-ধারায় “প্রতিনিধি ব্যাংক” বলিতে কোন তফসিলি ব্যাংক-কোম্পানীর এমন শাখাকে বুঝাইবে যাহা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ক্লিয়ারিং হাউজ পরিচালনা করে।”;
(খ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “সুদের সর্বোচ্চ” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।
৩৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৪ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “শর্তাংশ” শব্দটির পরিবর্তে “শতাংশ” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৩) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(খ) “বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দায়” অর্থে আদায়কৃত মূলধন ও সংরক্ষিত সঞ্চিতিসমূহ বা ব্যাংক-কোম্পানীর লাভ-ক্ষতির হিসাবে উল্লিখিত আকলন স্থিতি অন্তর্ভুক্ত হইবে না।”।
৩৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৫ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর–
(অ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “বাংলাদেশী মুদ্রায়” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;
(আ) দফা (গ) এ উল্লিখিত “বাংলাদেশী মুদ্রায়” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;
(ই) প্রান্তঃস্থিত দাঁড়ির পরিবর্তে সেমিকোলন বসিবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ শব্দগুলি ও দাঁড়ি বসিবে, যথা:-
“ড্রাফট বা বিনিময় দলিলের পাওনাদারের ঠিকানা পাওয়া না গেলে আবেদনকারীর ঠিকানায় অনুরূপ নোটিস প্রেরণ করিবে।”;
(খ) উপ-ধারা (২) এর দফা (গ) এর পর নিম্নরূপ দফা (ঘ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“(ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদানের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানী তাহাদের ওয়েবসাইটে প্রেরিত অদাবীকৃত আমানত ও মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা ১(এক) বৎসর যাবৎ প্রকাশ করিবে।”;
(গ) উপ-ধারা (৯) এ উল্লিখিত “একবার করিয়া” শব্দগুলির পর “অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (১৩) এ উল্লিখিত “এক বছরের” শব্দগুলির পরিবর্তে “দুই বৎসরের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঙ) উপ-ধারা (১৪) এ দুইবার উল্লিখিত “এক” শব্দটির পরিবর্তে উভয় স্থানে “দুই” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(চ) উপ-ধারা (১৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(১৫) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক চেক, ড্রাফট বা বিনিময় বিলের কোন পাওনাদার বা সুবিধা প্রাপককে বা যে ব্যক্তির নামে কোন মূল্যবান সামগ্রী রহিয়াছে সেই ব্যক্তিকে নোটিস প্রদানের সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অদাবীকৃত অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা প্রকাশ সম্পর্কে উপ-ধারা (৯) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আপাততঃ বাংলাদেশে বসবাস না করার ক্ষেত্রে ও তাহা ব্যাংকের গোচরে থাকিলে, কোন আমানত, দলিল বা মূল্যবান সামগ্রীর বিলি-বন্দোবস্তের ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতি ও নিয়মাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।”;
(ছ) উপ-ধারা (১৮) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ–
“(খ) “প্রামাণিক দলিল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণাদি উপস্থাপনে বাধ্যকরণ;”।
৩৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৬ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৬ এর–
উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(১) প্রত্যেক ব্যাংক-কোম্পানী উহার সম্পদ ও দায় সম্পর্কে প্রতি বৎসরে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে একটি বিবরণী নির্ধারিত ফরম ও পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করিবে।”।
৩৮। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“৩৭। তথ্যাদি প্রকাশের ক্ষমতা।–বাংলাদেশ ব্যাংক, জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করিলে, ধারা ২৭কক এর উপ-ধারা (১) এর আওতায় প্রাপ্ত খেলাপী ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা এবং এই আইনের অধীন সংগৃহীত ৩০ দিনের অধিক সময় অনাদায়ী ঋণ ও অগ্রিম সম্পর্কিত কোন তথ্য কিংবা ব্যাংক ব্যবসা সম্পর্কিত যে কোন তথ্য একীভূত অবস্থায় বা অন্য কোনভাবে প্রকাশ করিতে পারিবে।”।
৩৯। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৮ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “অর্থ বৎসর” শব্দগুলির পরিবর্তে “ইংরেজী পঞ্জিকা বৎসর” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “ফরমসমূহ” শব্দটির পরিবর্তে “ফরম ও নির্দেশনাসমূহ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) ব্যাখ্যা অংশ বিলুপ্ত হইবে।
৪০। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৩৯ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৩৯ এর–
(ক) উপ-ধারা (৩) এর–
(অ) দফা (ঘঘ) এ উল্লিখিত “করা হইবে” শব্দগুলির পরিবর্তে “করা হয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(আ) দফা (ঙ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঙ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ–
“(ঙ) আর্থিক প্রতিবেদন দেশে প্রচলিত বিধিবিধান ও হিসাবমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্দেশিত হিসাবমান অনুযায়ী নির্ধারিত মানসম্পন্ন হইয়াছে কিনা;”;
(ই) দফা (ছ) এর পর নিম্নরূপ তিনটি নূতন দফা যথাক্রমে (ছছ), (ছছছ) ও (ছছছছ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:–
“(ছছ) অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কাজের জন্য অনুসৃত পদ্ধতির পর্যাপ্ততা এবং প্রযোজনীয় ক্ষেত্রে সংস্কারের সুপারিশ;
(ছছছ) ব্যাংক-কোম্পানী কিংবা উহার কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক সংঘটিত যে কোন জালিয়াতি, বা কোন অনিয়ম, বা প্রশাসনিক কোন ত্রুটি-বিচ্যুতি বা ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য ক্ষতিকর কোন কিছু পরিলক্ষিত হইলে তাহা;
(ছছছছ) ব্যাংক-কোম্পানী সাবসিডিয়ারীর ক্ষেত্রে ঐ সকল সাবসিডিয়ারী কোম্পানী নিরীক্ষিত হইয়াছে কি না ও তাহার হিসাব সঠিকভাবে একত্রীভূত করতঃ ব্যাংক-কোম্পানীর আর্থিক প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে কি না;”;
(খ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত “মূলধন” শব্দটির পরিবর্তে “ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুযায়ী সংরক্ষিত মূলধন আবশ্যক মূলধনের” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৪) এর পর নিম্নরূপ দুইটি নূতন উপ-ধারা (৫) ও (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(৫) কোম্পানী আইন বা অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা মোতাবেক ব্যাংক-কোম্পানীতে নিয়োজিত কোন নিরীক্ষক উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিষয়, বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত বিষয়, ব্যতীত উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীতে অন্য কোন প্রকার কর্মকা- বা সেবা প্রদানে লিপ্ত হইতে পারিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কোন ব্যাক্তি বা ব্যাংকের কোন এজেন্ট বা কোন প্রতিনিধি এবং ব্যাংকের সহিত আমানত ব্যতীত অন্য কোনরূপ স্বার্থের সংশ্লেষ রহিয়াছে এমন ব্যক্তি ব্যাংক-কোম্পানীর নিরীক্ষক বা নিরীক্ষকদলের কোন সদস্য হইতে পারিবেন না।
(৬) বাংলাদেশ ব্যাংক এতদুদ্দেশ্যে বিধান জারী করিয়া একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর নিরীক্ষকগণের পালাবদল বাধ্যতামূলক করিতে পারিবে।”।
৪১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪০ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪০ এ দুইবার উল্লিখিত “তিন” শব্দটির পরিবর্তে উভয় স্থানে “দুই” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৪২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪২ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৪২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“৪২। বাংলাদেশে কার্যরত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক নিরীক্ষীত ব্যালেন্সশীট প্রদর্শন।–বাংলাদেশে কার্যরত কোন ব্যাংক-কোম্পানীকে ধারা ৩৮ এর অধীন প্রস্তুতকৃত ইহার সর্বশেষ ব্যালেন্সশিট এবং লাভক্ষতির হিসাব ব্যাংকের আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য ব্যবহারকারীগণ ব্যাংক সম্পর্কে যাহাতে সহজে তথ্য লাভ করিতে পারেন সেই জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিলের এক সপ্তাহের মধ্যে বহুল প্রচারিত একটি জাতীয় বাংলা দৈনিক ও একটি ইংরেজী দৈনিক পত্রিকায় প্রচার ও ব্যাংকের ওয়েবসাইটে উক্ত বিবরণী প্রকাশ করিতে হইবে এবং উক্তরূপ প্রকাশ উহার পরবর্তী ব্যালেন্সশীট ও হিসাব একইভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত উহা অব্যাহত থাকিবে।”।
৪৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪৪ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “এবং সরকার কর্তৃক নির্দেশিত হইলে অনুরূপ পরিদর্শন করাইবে” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “যদি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অনুরোধ করে, বা এইরূপ পরীক্ষার ভিত্তিতে উহার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব বিবেচনাধীন থাকে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সরবরাহ করিবে” শব্দগুলি, কমাগুলি ও হাইফেনগুলির পরিবর্তে “বাংলাদেশ ব্যাংক আবশ্যক মনে করিলে উক্ত পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সরবরাহ করিত পারিবে” শব্দগুলি ও হাইফেন প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(৫) বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধারার অধীন কোন পরিদর্শন বা পরীক্ষাকার্য সম্পন্ন করার পর উক্ত প্রতিবেদন বিবেচনান্তে যদি এইরূপ অভিমত পোষণ করে যে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর কার্যাবলী উহার আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী পদ্ধতিতে পরিচালিত হইতেছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক, লিখিত আদেশ দ্বারা–
(ক) উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক নূতন আমানত গ্রহণ নিষিদ্ধ করিতে পারিবে;
(খ) ধারা ৬৪ এর উপ-ধারা (৪) এর অধীন উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর অবসায়নের উদ্দেশ্যে আবেদন দাখিল করিতে পারিবে;
(গ) আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক যেইরূপ সংগত মনে করে সেইরূপ আদেশ প্রদান কিংবা কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।”;
(ঘ) উপ-ধারা (৬) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৬) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(৬) বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে যুক্তিসংগত নোটিশ প্রদানের পর, তৎকর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদন বা উহার অংশ বিশেষ প্রকাশ করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।–এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “ব্যাংক-কোম্পানী” বলিতে–
(ক) বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে অবস্থিত উহার সকল শাখাকে বুঝাইবে; এবং
(খ) বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের ভিতরে বা বাহিরে অবস্থিত উহার সকল শাখা ও সাবসিডিয়ারী কোম্পানীকে বুঝাইবে।”।
৪৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪৫ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ একটি নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধানাবলী সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসহ সকল ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হইবে।”।
৪৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪৬ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪৬ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “প্রধান নির্বাহী” শব্দগুলির পরিবর্তে “প্রধান নির্বাহী কর্তৃক” শব্দগুলি এবং “আমানতকারীদের ক্ষতিকর” শব্দগুলির পরিবর্তে “আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “কোন চেয়ারম্যান, পরিচালক, প্রধান নির্বাহী” শব্দগুলি ও কমাগুলির পরিবর্তে “কোন চেয়ারম্যান বা পরিচালক” শব্দগুলি এবং উক্তরূপ চেয়ারম্যান, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীর” শব্দগুলি ও কমার পরিবর্তে “উক্তরূপ চেয়ারম্যান বা পরিচালকের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৪৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪৭ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) উল্লিখিত “এই” শব্দটির পরিবর্তে “এর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৪) এর পর নিম্নরূপ একটি নূতন উপ-ধারা (৫) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(৫) উপ-ধারার (৩) এর বিধানাবলী সত্বেও উক্তরূপ নিয়োজিত কোন ব্যক্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে বিধানাবলী জারী করিতে পারিবে:
(ক) উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রয়োগযোগ্য ক্ষমতার সীমা;
(খ) উক্ত ব্যক্তির কাজের সহিত সম্পর্কিত ব্যয়ের বিষয়;
(গ) উক্ত ব্যক্তির নিয়োগ বাতিল;
(ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি উক্ত ব্যক্তির দায়বদ্ধতা; এবং
(ঙ) সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্মের জন্য উক্ত ব্যক্তির দায়-মুক্তি।”।
৪৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪৮ এর–
উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “এতদুদ্দেশ্যে” শব্দটির পর “বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।
৪৮। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৪৯ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৪৯ এর উপ-ধারা (১) এর–
(ক) দফা (গ) এ উল্লিখিত “৭৬” সংখ্যাটির পরিবর্তে “৭৫” সংখ্যাটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) দফা (ঘ) এর উপ-দফা (উ)এর প্রান্তঃস্থিত দাঁড়ির পরিবর্তে সেমিকোলন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ দুইটি নূতন দফা (ঙ) ও (চ) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(ঙ) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, দেশের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থা বা পেমেন্ট সিষ্টেমস্ এর সুষ্ঠু পরিচালনার স্বার্থে এ সংক্রান্ত যে কোন কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সাধারণভাবে সকল বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানীকে নির্দেশ দিতে পারিবে;
(চ) ঋণ শৃঙ্খলার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণভাবে সকল ব্যাংক-কোম্পানী বা কোন বিশেষ ব্যাংক-কোম্পানী বা বিশেষ শ্রেণীর ব্যাংক-কোম্পানীর জন্য ঋণ শ্রেণীকরণ ও সঞ্চিতি সংরক্ষণ, ঋণ মওকুফ, পুনঃতফসিলীকরণ কিংবা পুনর্গঠন সংক্রান্ত বিষয়সমূহে বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণীয় নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।”।
৪৯। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫১ এর–
(ক) প্রথম অনুচ্ছেদটির পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রথম অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“অন্য কোন আইনে বা এই আইনের অন্যত্র যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট যদি এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন ব্যক্তি ধারা ৩১ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘনক্রমে জনসাধারণের নিকট হইতে আমানত গ্রহণ করিতেছে বা ব্যাংক-ব্যবসা পরিচালনা করিতেছে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক,-”;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তিকে” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে” শব্দগুলি ও কমা এবং “কোম্পানীর বা ব্যক্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) দফা (খ) এ উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঘ) দফা (ঘ) এ উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫০। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫২ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫২ এর:–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যাংক-কোম্পানী” শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে “কোম্পানী” শব্দটি, “ব্যক্তি” শব্দটির পরিবর্তে “প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি” শব্দগুলি এবং উক্ত উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তিকে” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “কোম্পানী” শব্দটির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫৩ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫৩ এ উল্লিখিত “ব্যাংক-কোম্পানী” শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে “কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান” শব্দগুলি এবং দুইবার উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫৪ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(১) ধারা ৫৩ তে যাচাই বিধৃত থাকুক না কেন, কোন কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারা ৫২(১) এর অধীন কোন ঘোষণা প্রকাশিত হইলে, উক্ত কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বা উহার বা তাঁহার পক্ষে কোন ব্যক্তির দখলে, তত্ত্বাবধানে, নিয়ন্ত্রণে বা জিম্মায় আছে এমন সব টাকা-পয়সা, স্থাবর সম্পত্তি, শেয়ার, সম্পত্তির স্বত্ব-দলিল বা অন্য কোন দলিল, যত শীঘ্র সম্ভব, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্দেশিত কোন ব্যাংক-কোম্পানী, বা বাংলাদেশ ব্যাংক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন ব্যক্তির নিকট জমা রাখিতে হইবে।”;
(খ) উপ-ধারা (৩) এ দুইবার উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে উভয় স্থানে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির” শব্দগুলি ও কমা এবং “কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “কোম্পানী বা ব্যক্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫৫ এ উল্লিখিত “ব্যাংক-কোম্পানী” শব্দগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান” শব্দগুলি ও কমা, তিনবার উল্লিখিত “কোম্পানীর” শব্দটির পরিবর্তে সকল স্থানে “কোম্পানীর বা প্রতিষ্ঠানের” শব্দগুলি এবং “কোম্পানী বা ব্যক্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫৭ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “বিশ হাজার” শব্দগুলির পরিবর্তে “দুই লক্ষ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের পঞ্চম খন্ডের শিরোনামের সংশোধন।–উক্ত আইনের পঞ্চম খন্ডের শিরোনামে উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান” শব্দটি বিলুপ্ত হইবে।
৫৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫৮ এর–
(ক) উপান্ত-টীকায় উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান” শব্দটি বিলুপ্ত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(১) বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে রিপোর্ট প্রাপ্তির পর যদি সরকার এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে,–
(ক) ধারা ২৯ বা ধারা ৪৫ এর অধীন ব্যাংক-নীতি সম্পর্কিত লিখিত নির্দেশনা পালন করিতে কোন ব্যাংক-কোম্পানী একাধিকবার ব্যর্থ হইয়াছে, বা
(খ) আমানতকারীদের ক্ষতি হইতে পারে এমন পদ্ধতিতে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হইতেছে, এবং
(অ) উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর আমানতকারীদের স্বার্থে,
(আ) ব্যাংক-নীতির স্বার্থে, কিংবা
(ই) সাধারণভাবে বা কোন বিশেষ এলাকায় ঋণ প্রদানের জন্য উন্নততর ব্যবস্থার স্বার্থে;
উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অথবা উহার এক বা একাধিক শাখা অথবা উহার অধীনস্থ কোন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন;
তাহা হইলে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত আলোচনাক্রমে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, উক্ত আদেশে নির্ধারিত তারিখ হইতে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অথবা উহার এক বা একাধিক শাখা অথবা উহার অধীনস্থ কোন প্রতিষ্ঠান, অতঃপর অধিগৃহীত ব্যাংক বলিয়া উল্লিখিত, অধিগ্রহণ করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।–এই খন্ডে, বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানীর ক্ষেত্রে, “অধিগৃহীত ব্যাংক” বলিতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর অধিগৃহীত এক বা একাধিক শাখা অথবা উহার অধীনস্থ কোন প্রতিষ্ঠানকে বুঝাইবে।”;
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান এবং উক্ত ব্যাংকের” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠানের” শব্দটি বিলুপ্ত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান ও উহার” শব্দগুলি এবং “প্রতিষ্ঠান,” শব্দটি ও কমা বিলুপ্ত হইবে;
(ঙ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান ও উহার” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।
৫৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৫৯ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৫৯ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “কোন অধিগৃহীত ব্যাংকের ব্যাপারে” শব্দগুলির পরিবর্তে “ধারা ৫৮ এর আওতায় অধিগৃহীত কোন ব্যাংকের ব্যাপারে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এর–
(অ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান ও উহার” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;
(আ) দফা (চ) এ উল্লিখিত “প্রতিষ্ঠান বা উহার” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।
৫৮। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৬০ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৬০ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “অধিগৃহীত ব্যাংক বাংলাদেশের বাহিরে নিবন্ধনকৃত হইলে, অধিগৃহীত ব্যাংককে, অধিগৃহীত ব্যাংকের প্রতিষ্ঠান” শব্দগুলি, কমাগুলি ও হাইফেনের পরিবর্তে “কোন ব্যাংক কোম্পনীর শাখা কিংবা অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে, অধিগৃহীত ব্যাংকের সম্পদ ও দায়” শব্দগুলি, হাইফেনগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৫৯। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৬১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৬১ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “সুপ্রীম কোর্টের” শব্দগুলির পরিবর্তে “হাইকোর্ট বিভাগের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৬০। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৬৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৬৪ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা বা কার্যক্রম গ্রহণ ও চালু রাখা” শব্দগুলির পরিবর্তে “সকল আইনগত কার্যধারা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৬১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৬৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৬৮ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “৬৭ বা ৬৮” সংখ্যাগুলি ও শব্দের পরিবর্তে “৬৬ বা ৬৭” সংখ্যাগুলি ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।
৬২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৭০ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৭০ এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(ক) কোম্পানী আইনের উল্লিখিত ধারার প্রয়োজন মোতাবেক সেই সকল তথ্য যাহা তাহার নিকট রহিয়াছে;”।
৬৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৭৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৭৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭৪ প্রতিস্থাপিত হইবে যথা:–
“(১) কোন ব্যাংক-কোম্পানীর অবসায়নের কার্যধারায় অবসায়নের আদেশ এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে প্রদত্ত হইয়া থাকিলে, অনুরূপ প্রবর্তনের ৩ (তিন) মাসের মধ্যে বা, উক্ত আদেশ অনুরূপ প্রবর্তনের পর প্রদত্ত হইলে, আদেশ প্রদানের ৩ (তিন) মাসের মধ্যে, সরকারী অবসায়ক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত ছকে ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন বীমাকৃত অবসায়িত ব্যাংক-কোম্পানীর আমানতকারীগণের আমানতের তালিকা আমানত বীমা ট্রাষ্টি বোর্ডের নিকট দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অবসায়ক উক্তরূপ আমানতের পরিমাণ নির্ধারণকালে আইনগতভাবে আমানতকারীর নিকট বীমাকৃত ব্যাংকের কোন পাওনা থাকিলে উহা বাদ দিয়া আমানতকারীর পাওনা নির্ধারণ করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান মোতাবেক অগ্রাধিকারভিত্তিক পাওনা সময়ে সময়ে ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ এর আওতায় অথবা উক্ত আইনের আওতায় জারীকৃত বিধান বা নির্দেশনা মোতাবেক নির্ধারিত অঙ্ক এবং শর্তে পরিশোধ করা হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর বিধান মোতাবেক আমানতকারীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক পাওনা পরিশোধের পর সরকারি অবসায়ক কোম্পানী আইনের ধারা ৩২৫ তে উল্লিখিত সেই সকল অগ্রাধিকারভিত্তিক পাওনা প্রদান করিবেন বা প্রদানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন যে সকল পাওনা সম্পর্কে, ধারা ৭১ এর অধীন প্রদত্ত নোটিসের প্রেক্ষিতে, উহা জারীর তারিখ হইতে ১ (এক) মাসের মধ্যে, দাবী উত্থাপন করা হইয়াছে।
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) অনুসারে আমানতকারীগণের এবং অগ্রাধিকারসম্পন্ন দাবীদারগণের পাওনা পরিশোধ করার পর, সরকারী অবসায়ক–
(ক) ধারা ৭১ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত পাওনাদারগণের পাওনা পরিশোধ করিবেন বা প্রদানের পর্যাপ্ত সংস্থাপন রাখিবেন;
(খ) অন্যান্য সকল সাধারণ পাওনাদারদের পাওনা সম্পদের সহিত অনুপাত বজায় রাখিয়া উপ-ধারা (৭) এ বর্ণিত ক্রমানুযায়ী পরিশোধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সরকারি অবসায়ক যখনই নগদ টাকার আকারে ব্যাংক-কোম্পানীর সম্পদ সংগ্রহ করিতে পারিবেন তখনই উপ-ধারা (৪) এর দফা (ক) ও (খ) তে উল্লিখিত পাওনাদারগণের পাওনা সংগৃহীত সম্পদের সহিত অনুপাত বজায় রাখিয়া প্রদান করিবেন।
(৫) সরকারী অবসায়ক যাহাতে কোম্পানীর সর্বাধিক সম্পদ নগদ টাকার আকারে নিজের রক্ষণাবেক্ষণে আনিতে পারেন সেই উদ্দেশ্যে তিনি নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত পাওনাদারদিগকে প্রদত্ত অনুমোদিত জামানত নিম্নলিখিত ভাবে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) উক্ত পাওণাদারের পাওনার পরিমাণ, পাওনাদারের নিজের মূল্যায়ন, বা ক্ষেত্রমত, সরকারি অবসায়কের মূল্যায়ন অনুযায়ী উক্ত জামানতের মূল্য অপেক্ষা বেশী হইলে, সেই মূল্য পরিশোধ করিয়া; এবং
(খ) অনুরূপ মূল্যায়নে পাওনাদারের পাওনা উক্ত জামানতের মূল্যের সমান বা কম হইলে, পাওনা টাকা পরিশোধ করিয়া:
তবে শর্ত থাকে যে, সরকারী অবসায়ক যদি পাওনাদার কর্তৃক মূল্যায়নে সন্তুষ্ট না হন, তাহা হইলে তিনি মূল্যায়ন করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (২), (৩) ও (৪) ও (৫) এর বিধান মোতাবেক পাওনা পরিশোধের জন্য কোন দাবীদার, পাওনাদার বা আমানতকারীকে যদি পাওয়া না যায় বা তাহাকে যদি তৎক্ষণাৎ খুঁজিয়া পাওয়া না যায়, তাহা হইলে সরকারী অবসায়ক, উক্ত পাওনা পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৭) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত পাওনাসমূহকে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীর পাওনা হিসাবে গণ্য করা হইবে, এবং বর্ণিত ক্রমানুযায়ী পাওনাসমূহ পরিশোধিত হইবে, যথা:–
(ক) উপ-ধারা (২) এর অধীন পরিশোধিতব্য বীমাকৃত আমানতের পাওনা;
(খ) উপ-ধারা (৩) এ বর্ণিত কোম্পানী আইনের ধারা ৩২৫ এর অধীন অগ্রাধিকারভিত্তিক দাবীদারদের পাওনা;
(গ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (ক) ও উপ-ধারা (৫) এর বর্ণনা অনুযায়ী নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত পাওনাদারগণের পাওনা;
(ঘ) আমানতকারীগণের হিসাবে উপ-ধারা (২) এর অধীন পরিশোধিত অর্থের অতিরিক্ত স্থিতির বিপরীতে প্রদেয় পাওনা;
(ঙ) অন্যান্য সকল সাধারণ পাওনাদারদের পাওনা;
(চ) আমানত বীমা তহবিল হইতে বীমাকৃত আমানতকারীগণের অনুমোদিত পাওনা পরিশোধ বাবদ প্রদত্ত অর্থ সমন্বয়ের লক্ষ্যে প্রদেয় অর্থ।”;
(৮) আপততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে বা কোন চুক্তি বা অন্য কোন দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (৭) এর দফা (খ), (গ), (ঘ), (ঙ)ও (চ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক শ্রেণীর পাওনাদারগণকে তাহাদের নিজেদের মধ্যে সমতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হইবে এবং যদি পাওনা পরিশোধের জন্য প্রাপ্ত সম্পদ পর্যাপ্ত হয়, তাহা হইলে তাহাদের পূর্ণ পাওনা প্রদান করা হইবে, এবং উক্ত সম্পদ অপর্যাপ্ত হইলে সমান অনুপাতে তাহাদের পাওনা হ্রাস করা হইবে।
৬৪। ১৯৯১ সনের ১৪নং আইনের ধারা ৭৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৭৭ এর উপ-ধারা (১৫) এর পর নিম্নরূপ একটি নূতন উপ-ধারা (১৬) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(১৬) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত, কোন ব্যাংক-কোম্পানী স্বতঃপ্রণোদিত হইয়া অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহিত একত্রীভূত হইতে চাহিলে অথবা কোন ব্যাংক-কোম্পানী নিজের ব্যবসার কিয়দংশ অন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট হস্তান্তরের মাধ্যমে পুনর্গঠিত হইতে চাহিলে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনক্রমে, এতদ্বিষয়ে তৎকর্তৃক জারীকৃত নীতিমালা অনুসরণ করিয়া কাংখিত একত্রীকরণ বা পুনর্গঠন করিতে পারিবে।”।
৬৫। ১৯৯১ সনের ১৪নং আইনের ধারা ৮১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৮১ এর–
(ক) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখত “দেনাদারের” শব্দটির পর “নিকট” শব্দটি সন্নিবেশিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “সে ব্যক্তি” শব্দগুলির পর “এবং” শব্দটি সন্নিবেশিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (১০) এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“(ক) এমন কোন ঋণের প্রতি প্রযোজ্য হইবে না যাহা কোন তৃতীয় পক্ষের স্বার্থযুক্ত স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রাখিয়া গৃহীত হইয়াছে; বা”।
৬৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৮৪ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৮৪ এর উপ-ধারা (৮) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “ছিলেন না” শব্দগুলির পরিবর্তে “নহেন” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৬৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ৯৭ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ৯৭ এ উল্লিখিত “১২১” সংখ্যাটির পরিবর্তে “১২০” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৬৮। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১০৩ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১০৩ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “একজন” শব্দটির পরিবর্তে “একজন বা একাধিক” শব্দগুলি, “যাহাকে” শব্দটির পরিবর্তে “যাহাকে বা যাহাদিগকে” শব্দগুলি এবং “অন্য কোন ব্যক্তিকে” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্য কোন ব্যক্তিকে বা ব্যক্তিবর্গকে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত“মনোনীত ব্যক্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “মনোনীত কোন ব্যক্তি” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৬৯। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১০৫ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১০৫ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “সামগ্রীকে” শব্দটির পরিবর্তে “সামগ্রী কে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৭০। ১৯৯১ সনের ১৪নং আইনের ধারা ১০৯ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১০৯ এর–
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “অনধিক ৭ বৎসর কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডেও দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদন্ডে এবং অন্যূন দুই লক্ষ টাকা এবং অনধিক বিশ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “অনধিক তিন বৎসরের কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডেও দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অনধিক ৩(তিন) বৎসরের কারাদন্ডে এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “অগ্রিম” শব্দটির পরিবর্তে “ঋণ, অগ্রিম, গ্যারান্টি বা অন্য কোনরূপ আর্থিক সুবিধা” শব্দগুলি এবং “অনধিক তিন বৎসরের কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অনধিক ৩(তিন) বৎসরের কারাদন্ডে অথবা অন্যূন এক লক্ষ টাকা এবং অনধিক দশ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ডে অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন দশ হাজার টাকা এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি এবং “অনধিক একশত টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন পাঁচশত টাকা এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঙ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(চ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন দশ হাজার টাকা এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি এবং “অনধিক একশত টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন পাঁচশত টাকা এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ছ) উপ-ধারা (৭) এ উল্লিখিত “অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন দশ হাজার টাকা এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি এবং “অনধিক একশত টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন পাঁচশত টাকা এবং অনধিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(জ) উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত “ কোম্পানী” শব্দটির পরিবর্তে “ কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান” এবং দুইবার উল্লিখিত “ কোম্পানীর” শব্দটির পরিবর্তে উভয় স্থানে “কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঝ) উপ-ধারা (৯) এ উল্লিখিত “তাহাকে কেন অর্থদন্ডে দন্ডিত” শব্দগুলির পরিবর্তে “তাহাকে কেন আর্থিক জরিমানা” এবং “যে কোন অংকের অর্থদন্ডে দন্ডিত” শব্দগুলির পরিবর্তে “ যে কোন অংকের আর্থিক জরিমানা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঞ) উপ-ধারা (১০) এ উল্লিখিত “অর্থদন্ড” শব্দটির পরিবর্তে “জরিমানা” এবং “দন্ডিত অর্থ” শব্দগুলির পরিবর্তে “জরিমানাকৃত অর্থ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ট) উপ-ধারা (১০) এর পর নিম্নরূপ দুইটি নূতন উপ-ধারা যথাক্রমে উপ-ধারা (১১) ও (১২) সংযোজিত হইবে, যথা:–
“(১১) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানী এই আইনের ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (৭), ধারা ২৫ এর উপধারা (৩), (৪) ও (৫), ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (৪), ধারা ২৯ এর উপধারা (৩), এবং ধারা ৩৩ এর উপ-ধারা (৫) এ বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন ধারার বিধান লংঘন করে বা তদধীন প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত কোন শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লংঘন করে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং অনধিক দশ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপিত হইবে, এবং যদি উক্ত লংঘন অব্যাহত থাকে, তাহা হইলে উক্ত লংঘনের প্রথম দিনের পর প্রত্যেক দিনের জন্য অতিরিক্ত অন্যূন পাঁচ হাজার টাকা এবং অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপিত হইবে।
(১২) উপ-ধারা (৯) এর অধীন জরিমানাকৃত কোন ব্যক্তি বা উপধারা (১১) এর অধীন জরিমানাকৃত কোন ব্যাংক-কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুরূপ জরিমানা আরোপের ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা-পর্ষদের নিকট তাহা পুনর্বিবেচনার আবেদন পেশ করিতে পারিবে এবং এই ব্যাপারে উক্ত পর্ষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।”।
৭১। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১১২ এর প্রতিস্থাপন।–উক্ত আইনের ধারা ১১২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১১২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“১১২। ব্যাংক-কেম্পানীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যধারা গ্রহণের পদ্ধতি।–(১) বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এই আইনের কোন ধারা অথবা তদধীন কোন আদেশ বা নির্দেশ বা আরোপিত শর্ত বা প্রণীত কোন বিধি লংঘন করার জন্য কোন ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে আদালতের বিচারার্থ অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে চায়, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে না বা আর্থিক জরিমানা আরোপ করিবে না সে সম্পর্কে কারণ দর্শাইতে সুযোগ দিতে পারিবে এবং প্রদত্ত ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হইলে বা, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন ব্যাখ্যা প্রদান না করিলে, উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীকে সংশ্লিষ্ট ধারা বা উপধারাসমূহে উল্লিখিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে বা সংশ্লিষ্ট ধারা বা উপধারাসমূহে উল্লিখিত যে কোন অংকের আর্থিক জরিমানা আরোপ করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যে সকল ক্ষেত্রে যথাযথ মনে করে সে সকল ক্ষেত্রে কৃত অপরাধের বিষয়ে একটি তদন্ত অনুষ্ঠান করিতে পারিবে এবং উহাতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কোম্পানীকে শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন আরোপিত জরিমানা উক্ত ব্যাংক কোম্পানী এইরূপ আদেশ প্রদানের ১৪ দিনের মধ্যে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে।
(৪) যদি কোন ব্যাংক-কোম্পানী উপ-ধারা (৩) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আরোপিত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হয় তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনরূপ নোটিশ প্রদান ব্যতিরেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত রক্ষিত উক্ত ব্যাংক-কোম্পানীর হিসাব বিকলন করিয়া উক্ত জরিমানা আদায় করিয়া নিতে পারিবে।”।
৭২। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১১৫ এর প্রতিস্থাপন।–উক্ত আইনের ধারা ১১৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১১৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:–
“১১৫। চেক দ্বারা প্রত্যাহারযোগ্য আমানত গ্রহণের উপর বাধা-নিষেধ।–কোন ব্যাংক-কোম্পানী, বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারিশক্রমে এতদুদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপিত কোন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ব্যতীত, অন্য কোম্পানী, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি চেক দ্বারা প্রত্যাহারযোগ্য কোন আমানত গ্রহণ করিতে পারিবেন না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন কিছুই সরকার কর্তৃক পরিচালিত কোন সঞ্চয় ব্যাংক স্কীমের ক্ষেত্রের প্রযোজ্য হইবে না।”।
৭৩। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১১৬ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১১৬ এ উল্লিখিত “সরকার কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নাম পরিবর্তনের জন্য উহার অনুমোদন দিবে না” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোন ব্যাংক-কোম্পানীর নাম পরিবর্তনের জন্য কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হইবে না” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৭৪। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১১৮ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১১৮ এ উল্লিখিত “১১, ১৫, ২৩, ৪৫, ৪৯, ৭৫ এবং ৭৭” সংখ্যাগুলি, কমাগুলি ও শব্দটির পরিবর্তে “১১, ১৫, ১৫কক, ২৩, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৯, ৭৪ এবং ৭৭” সংখ্যাগুলি, কমাগুলি, অক্ষরগুলি ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।
৭৫। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১২০ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১২০ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “নূতন ব্যাংক এবং বিশিষ্ট” শব্দগুলির পরিবর্তে “বিশেষায়িত” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৭৬। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১২১ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১২১ এ উল্লিখিত “সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহিত পরামর্শক্রমে” শব্দগুলি ও কমার পরিবর্তে “বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।
৭৭। ১৯৯১ সনের ১৪ নং আইনের ধারা ১২২ এর সংশোধন।–উক্ত আইনের ধারা ১২২ এ উল্লিখিত “উহাদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মামলা” শব্দগুলির পরিবর্তে “উহাদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বা ধারা ৪৭ এর উপ-ধারা (৩) এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়োগকৃত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন মামলা” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।
মোঃ মাহ্ফুজুর রহমান
সচিব।

উপ পরিচালক, বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়, তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক মুদ্রিত।
আবদুর রশিদ (উপ সচিব), উপ পরিচালক, বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিস,
তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত। web site: www.bgpress.gov.bd

Leave a Reply